কক্সবাজারের পেকুয়ায় হাতুড়ি ও ছুরি নিয়ে এক ব্যবসায়ীর দোকানে হামলার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে অভিযুক্তকে ধরতে পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ’র নির্দেশে মাঠে নামেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুটের নেতৃত্বে যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে ১৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পেকুয়া এসডিসিটি সেন্টারে অবস্থিত ‘দুবাই ফ্রেশন’ নামের একটি দোকানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ভিডিওতে দেখা যায়, লোকমান নামে এক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায়। ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্তকে ধরতে পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহের নির্দেশে মাঠে নামেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুটের নেতৃত্বে যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় অভিযুক্ত লোকমানকে বাইম্যাখালী এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
এ সময় ইউপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মানিক উপজেলা যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক আসাদ রুবেল, আজম ইকবালসহ যুবদলের নেতাকর্মীরা অভিযানে অংশ নেন। পরে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, পেকুয়া উপজেলায় চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের কোনো স্থান নেই। যে কেউ এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা সাধারণ মানুষের ওপর হামলার মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। আমরা সবসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনকে সহযোগিতা করে আসছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, এসডিসিটি সেন্টারে এক ব্যবসায়ীর দোকানে হামলার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। পরে পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ’র নির্দেশে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল ও অভিযুক্তের খোঁজে মাঠে নামি। পরবর্তীতে অভিযুক্ত লোকমানকে তার নিজ এলাকা থেকে আটক করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পেকুয়ায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: খায়রুল আলমকে ফোন করা হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।