1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ভূমিধস বিজয় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আস্থা রাখতে চান তৃণমূল কর্মীরা ‘শিশু নোবেল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম

“চট্টগ্রাম আদালতে পুলিশ সাক্ষীদের নীরবতা: ডাকে সাড়া নেই!”

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

-চট্টগ্রামের আদালত সম্প্রতি তিন শতাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছে। মামলা চলাকালীন নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই পুলিশ সদস্যদের অধিকাংশই একসময় নগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামের বাইরে বিভিন্ন স্থানে বদলি হয়ে গেছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) গত কয়েক মাসে তিন শতাধিক পুলিশ সাক্ষীকে অন্তত ১০টি দপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। ১৯ নভেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত চট্টগ্রাম এবং জেলার বাইরে পুলিশ বিভাগে এসব চিঠি প্রদান করা হয়। সর্বশেষ ২০ জানুয়ারি সিএমপির চিঠিতে ৩৩ জন পুলিশ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। এদের মধ্যে আটজন সিএমপির বিভিন্ন জেলায় কর্মরত, বাকিরা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অন্যান্য জেলায় কর্মরত।

গত কয়েকবার সমন জারির পরও সাক্ষীরা উপস্থিত না হওয়ায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান জানান, বদলির কারণে বহু পুলিশ সাক্ষীর জন্য নির্ধারিত তারিখে হাজির হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও তাঁদের আদালতে উপস্থিত করার নজির কম।

আদালতের কর্মচারীরা জানান, সমন নোটিশ অনেক সময় দেরিতে পৌঁছায় এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অযত্নের কারণে নোটিশ প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়। পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে সমন নোটিশ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পৌঁছালেও গুরুত্ব না দেওয়া হয়। আবার অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয় ছুটির অনুমতি না পাওয়ার কারণে।

চট্টগ্রাম মহানগরের আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, পুরোনো কর্মকর্তাদের হাজিরা কমছে, তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যাঁদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে, তাঁদের আদালতে উপস্থিত হওয়ার পর বিচারক তাদের হাজিরা না হওয়ার কারণ জানতে চান এবং সন্তুষ্ট হলে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মো. হাসান ইকবাল চৌধুরী দাবি করেন, পুলিশের সদস্যরা নিয়মিতভাবে মামলার তারিখে হাজির হচ্ছেন এবং কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন না। তবে বিশেষ কিছু ঘটনায় সেবাদের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.