1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :

গাংনীতে মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর থমকে দাঁড়িয়ে ৭ কোটি টাকার অকেজো ব্রিজ!

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

গাংনীতে লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি কমাতে তৈরি ব্রিজে সংযোগ সড়ক না থাকায় বেড়েছে দ্বিগুণ ভোগান্তি। জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় ৪ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ। মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর থমকে দাঁড়িয়ে ৭ কোটি টাকার ব্রিজটি।
উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গাংনী উপজেলার বেতবাড়ীয়া ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মধুগাড়ি গ্রামের মধ্যবর্তী মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর ৭৫ মিটার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৯ টাকা। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, মেসার্স কহিনূর অ্যান্ড কফিল এন্টারপ্রাইজ ব্রিজের ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন করে। ব্রিজ তৈরির আগে স্থানীয় দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ও আমিরুল ইসলাম সংযোগ সড়কের জন্য বিনামূল্যে তাদের জমি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নির্মাণের পর বেঁকে বসেছেন। এখন তারা জমির বর্তমান বাজারমূল্য বেশি দাবি করায় বন্ধ হয়ে গেছে সংযোগ সড়কের কাজ।

গাংনী ও দৌলতপুরের শেষ সীমানায় আছে বেতবাড়ীয়া ও মধুগাড়ি গ্রাম। ব্রিজ নির্মাণের পর দৌলতপুর অংশের মধুগাড়িতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়েছে। তবে গাংনী অংশের বেতবাড়ীয়ায় কোনো সংযোগ সড়ক হয়নি। নদীর এপার এবং ওপারে কৃষিকাজ, স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে লক্ষাধিক মানুষের প্রতিনিয়ত যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম এই জায়গাটি। ভোগান্তি কমানোর জন্য ব্রিজ নির্মাণ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। ৫ মিনিটের জায়গায় যাতায়াতের জন্য মানুষকে ৯ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে।

বেতবাড়ীয়া গ্রামের ইয়াকুব আলী বলেন, ‘ব্রিজ হওয়ার খবরে এলাকাবাসীর মতো আমিও খুশি হই। তবে রাস্তা না হওয়ায় সেই খুশি আর নেই।’ গোবরগাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলাম বলেন, ‘ব্রিজ আছে, কিন্তু রাস্তা নেই। এর ফলে ফসল নিয়ে যেতে যে আমাদের কি কষ্ট হয়, সেটা বোঝানোর মতো নয়।’

মধুগাড়ি গ্রামের আকরামুল ইসলাম জানান, এই ব্রিজ পার হতে ৫ মিনিট সময় লাগে। কিন্তু সড়ক না থাকায় ঘুরতে হয় ৯ কিলোমিটার। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজ পার হচ্ছেন।

গাংনী উপজেলা এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘আমি শুনেছি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাধ্যমে বিষয়টি মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়াধীন বিষয়টি শেষ হলে অধিগ্রহণ শুরু হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.