সারিয়াকান্দি উপজেলা ডোমকান্দি মৌজায় ৩০৫১, ৩০৪১, ৩০৪২, ২৭১০, ৩০৫৯, ৩০২৪, ৩০৫৮, ৩০৬০ সাবেক দাগে ৩৭২ শতাংশ জমির মালিক উমির প্রাং এর সিএস ও এসএ দাগের ওয়ারিশ সুত্রে তার ছেলে লাল মিয়া প্রাং ২০ শতাংশ জমিতে ভুট্টা চাষ করেন। ২৫ জানুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষ ফরিদ মিয়ার স্ত্রী মাজেদা(৪৫), সোবাহানের স্ত্রী মুগলী(৪০), মিঠুর স্ত্রী মারুফা(২৮), মৃত ইবার প্রাং এর স্ত্রী নীলী(৫৫), গোফারের স্ত্রী এবা(৫৫), ইজারের ছেলে ফরিদ(৫৫) ও ফারুক এবং ফরিদের মেয়ে ফিফাদের নামে জমি থেকে ভুট্টা গাছ তুলে নষ্ট করার অভিযোগ আনেন কৃষক লাল মিয়া। ২৬ জানুয়ারী সোমবার সকালে সরেজমিনে জমিতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে কোনো ভুট্টা চারা নেই। টেনে টেনে চারা গাছ ছিড়ে নষ্ট করার নমুনা দেখা যায়। কৃষক লাল মিয়া বলেন, কিছু দিন পূর্বে ২০ শতাংশ জমি হালচাষ ও সার প্রয়োগ করে ভুট্টা বিজ রোপণ করি। চারা বেশ বড়ই হয়েছে। সেই চারা টেনে ছিড়ে নষ্ট করেছে। কিছু দিন পূর্বে কালাই বুনেছিলাম সেই কালাই নষ্ট করেছে তারা। এই জমিতে প্রায় ২০/২২ মণ ভুট্টা হতো। জমি চাষ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর ২০/২২ মণ ভুট্টা হলে প্রায় ২০ হাজার টাকা পাইতাম। তদন্ত সাপেক্ষে এর আমি সঠিক বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, ৫৪২৭ নং মূল দলিলে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে ওভার রাইটিং করে ২৬ শতাংশ বানিয়ে আরএস খতিয়ান অন্তর্ভুক্ত করেন প্রতিপক্ষরা। তাছাড়াও ৭১ দলিলে ১০৪ নং চিঠা দাগ কবলা করে ২৭৫৫ দাগের ১১২ নং চিঠাতে আরএস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে জমি দখল করে নেয় তারা। ফসল নষ্ট করায় প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
মর্জিনা, চাম্পা, জড়িনা, হাবিজার বলেন দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিপক্ষদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছে। আমাদের সাথে যতই শত্রুতা থাকুক। কিন্তু বারবার ফসল নষ্ট করে ক্ষতি করা কতোটা যৌক্তিক। ফসল তো রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এটি নষ্ট করাতো রাষ্ট্রের ক্ষতি। গত রবিবার আদালতে হাজিরা ছিলো, সেখান থেকে এসে পরিকল্পনা করে সন্ধ্যায় এই ফসল নষ্ট করে তারা। টাবু নামে এক কৃষক বলেন আমি প্রতিদিন এদিকে আসি গরুর ঘাস নেওয়ার জন্য। গতকাল বিকেলে দেখে গেলাম ভুট্টা আছে। আজকে এসে দেখতিছি জমিতে ভুট্টার চারা নাই। ভুট্টার বীজ কে রোপণ করেছে এ বিষয় জানতে চাইলে উপস্থিত সকলে লাল মিয়া ভুট্টা বীজ রোপণ করেছে বলে জানান।
এবিষয়ে প্রতিপক্ষদের কাছে থেকে জানতে বা বক্তব্য চাইলে তারা সংবাদ কর্মীদের নিকট বক্তব্য দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।