আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও অবাধ করতে খুলনায় যৌথবাহিনির টহল শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ টহল অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল বিকাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, র্যাব,বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে গঠিত এই যৌথবাহিনি শহীদ হাদিস পার্ক এলাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টহল শুরু করে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাস। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আগামী ১২ ফেব্রুযারীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, এখন থেকে প্রতিদিন এ যৌথবাহিনির কার্যক্রম চলবে। এর মাধ্যমে মানুষ নিশ্চিত হবে যে, নির্বাচনটি নিরাপদ ও শান্তিপুর্ন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। যৌথ প্যাট্রোলের প্রধান জানান, যৌথ প্যাট্রোলের সাথে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে এটি কেবল একটি মহড়া নয়, প্রযোজনে তাৎক্ষনিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পুর্ন ক্ষমতা রয়েছে এই প্যাট্রোল দলের। যদি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় সমস্যা সৃষ্টি হয়, গোপন অস্ত্র বা অন্য কোন বেআইনি কার্যকলাপের তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে সেখানে সরাসরি অভিযান চালানো হবে বলেও জানান খুলনার এই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানানো হয়েছে, এই কার্যক্রম শুধু খুলনা মহানগরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, জেলার প্রতিটি উপজেলা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যৌথবাহিনি নিয়মিত টহল দেবে। নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং যেকোন ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া যেকোন প্রযোজনে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক বা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ মোট চারজনের মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। এছাড়াও সেখানে থাকবে একটি অভিযোগ বক্স। কোন অভিযোগ থাকলে অভিযোগ বক্সে দেওয়া যাবে।