সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ” আগামী ১২ ফেব্রুযারীর নির্বাচন হবে দেশ ও স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচন সুতারাং এ নির্বাচনে আমাদের শতস্ফুর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। বড় ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে আগামী নির্বাচন নিয়ে। স্বাধীনতা বিরোধী একটি শক্তি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পায়তারা করছে”। গতকাল বিকালে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা সভা ও সনাতনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী বলছেন, ” হিন্দুরা সংখ্যালঘু নয়, আমরা বাংলাদেশী। আমরা যোগ্যতা দিয়ে অধিকার আদায় করে নিব। আগামী নির্বাচন নিয়ে দেশ বিরোধী শক্রপক্ষ গভীর ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আগামীর বাংলাদেশ কি হবে, তা নির্ভর করছে ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনের উপর। তাই স্বাধীন দেশ রক্ষার জন্য সকল ভোটারকে সাড়ে ৫ টার মধ্যে ভোট কেন্দ্রে হাজির হতে হবে। মনে রাখবেন এটা কিন্তু হিন্দুদের অস্থিত্বের নির্বাচন। ধর্ম ব্যবসায়ী ঔই রাজাকারেরা যতই বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করুক, শান্তি প্রিয় মুসলমানেরা দেশ বিরোধী শত্রুকে কখোনো ঠাই দিবে না। বিকাল সাড়ে তিনটার পর দলে দলে স্বাধীনতা চত্বরে আসতে থাকে সনাতনীরা। ঢোক, ডাঙ্গাসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচেগেয়ে, সেজেগুজে সভাস্থলে উপস্থিত হয় সনাতনীরা। বিকাল ৪ টার মধ্যে কানায় কানায় পুর্ন হয়ে যায় স্বাধীনতা চত্বর। এরপর খুলনা – সাতক্ষীরা মহাসড়কসহ গোটা বাজারে লোকারন্য হয়ে যায়। ১০ সহস্ত্রাধীকের বেশি লোকের সমাগম বলে জানায় আয়োজকরা। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক প্রফুল্ল কুমার রায়ের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা – ৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা- ২ আসনের ধানের ধানের শীষের প্রার্থী মো: নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিএনপি সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু ও খুলনা – ৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আজগর লবী। ডুমুরিয়া সনাতনী ঐক্যজোটের আহবায়ক নিত্যানন্দ মন্ডল ও মতুয়া মহাসংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্যে দেন, সনাতনী জোটের নেতা রমেন মন্ডল ও পরিতোষ বালা প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ ও জেলা যুবদলের আহবায়ক এবাদুল হক রুবায়েদ।