1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রেজাউল করিম বাদশা এমপিকে জিসাস বগুড়া মহানগরের ফুলেল শুভেচ্ছা সীমান্তে বিজিবি কর্তৃক পৃথক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক এবং চোরাচালানী মালামাল জব্দ কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করে ২৬ কেজি গাঁজাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক রাজধানীতে ভাষা প্রশিক্ষণ: সাহিত্য–সাংস্কৃতিক উৎসব শার্শায় ডিহি ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ  আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেপ্তার ৬০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে দুই মাদক কারবারিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসআই মোতালেবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দুই কর্মকর্তার বদলি  বাতিল ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ সহ ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ ছাএলীগের দুইজন আটক ফরিদপুর পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম ধামইরহাটে ছাগল করলা খেতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

অস্তিত্ব সংকটে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

বর্তমানে নানা সংকটে হারিয়ে যাচ্ছে বরিশালের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প। আয় কমে যাওয়ায় পেশা বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁতিরা। সুতাসহ উপকরণের মূল্য নির্ধারণ ও স্বল্প সুদে ঋণ দিলে এ শিল্প সচল করা সম্ভব বলে মনে করেন তাঁত মালিকরা। তাই শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে ঋণ দিচ্ছে তাঁত বোর্ড। সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস উপজেলা প্রশাসনের। বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের প্রাচীন ইতিহাস। একসময় তাঁতিদের হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় তৈরি হত রঙ-বেরঙের সুতায় বোনা চাদর, কাপড়, বেড কভার, গামছা, লুঙ্গি, ওড়নাসহ নানা পণ্য।

কিন্তু এখন তৈরি হচ্ছে শুধু গামছা আর মশারি। স্বাধীনতার পর থেকেই বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলায় শুরু হয় তাঁত বোনা। সেসময় প্রতিটি ঘরেই তাঁত ছিল ১৫ থেকে ২০টি। দুই উপজেলার প্রায় চার শতাধিক পরিবারকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল সম্ভাবনা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাওয়ার পথে সেই ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার দুয়ার। বর্তমানে এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মাত্র ২৫ থেকে ৩০ টি পরিবার। আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নের বাসিন্দা নোমানুর রশিদ। এক চালা টিনের ঘরের মধ্যে দুটি তাঁতে বুনছেন গামছা। পূর্ব পুরুষ থেকেই হস্তচালিত তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িত তারা। শুরুর দিকে ১৮টি তাঁত চলতো তাদের এ বাড়িতে। কিন্তু নানা সংকটে মুখে পড়ে এখন আছে মাত্র তিনটি।

তাঁতিরা জানান, তারা তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে তাঁতিদের মঞ্জুরিও অনেক সময় শোধ করতে পারছেন না তারা। রং, সুতার দাম বৃদ্ধি পাওয়ার করণে তারা লাভবান হতে পারছেন না। তাই আস্তে আস্তে অনেকে এ পেশা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। কাঁচামালের বেশি দাম ও বিক্রির সময় দাম কম হওয়ায় লাভের মুখ দেখছে না এ পেশায় জড়িতরা। সুতাসহ উপকরণের মূল্য নির্ধারণ করে এবং স্বল্প সুদে ঋণ দিলে এ শিল্প সচল করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তাঁত মালিকরা।

তাঁতিরা আরও জানান, এখন তাদের ১০ থেকে ১২টি মেশিন চলছে তারা বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন না। আগৈলঝাড়া তাঁত মালিক সমিতি সভাপতি ফেরদৌস ইসলাম বলেন, আমাদের তাঁতপ্রতি ৪০ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হয়। যদি ঋণ আরও বাড়ানো হতো তাহলে ভালো হতো। তাঁত বোর্ড বলছে, ঋণ সহায়তার পাশাপাশি তাঁতিদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

আর এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ রয়েছে বলে জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ভারপ্রাপ্ত লিয়াজু অফিসার তারিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেনিং সেন্টার আছে। সেখানে যাওয়ার জন্য তাদের বার বার বলা হচ্ছে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে। ন্যায্যমূল্যে সুতা পাওয়ার জন্য আমরা আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম বলেন, তাদের টিকিয়ে রাখার জন্য নয় শুধু ভবিষ্যতে তাদের সমৃদ্ধ করার জন্য কাজ করতে হবে।

এ ঐতিহ্যকে বাংলাদেশে নয় শুধু সারা বিশ্বে ফুটিয়ে তোলার জন্য আমাদের যা যা করা লাগবে আমরা প্রশাসনের দিক থেকে তা করব। ক্রমাগত লোকসান, প্রয়োজনীয় পুঁজির অভাব, দফায় দফায় কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিলুপ্তির পথে এ তাঁত শিল্প। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তাঁত শিল্পের পণ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.