রায়পুরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনী আসন-৫ নিয়ে বিএনপির ভেতরে তীব্র আলোচনা ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত জামাল আহমেদ চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
তবে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্য থেকে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপরই রায়পুরা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।
দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে কীভাবে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন এবং দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া কতটা যৌক্তিক—এ প্রশ্নগুলো এখন রায়পুরা বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মুখ্য আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
এছাড়াও শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কিনা—সে বিষয়টিও দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামাল আহমেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আগামী তিন তারিখ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলব।”