কানুনগোপাড়া থেকে কালুরঘাট পশ্চিম কূলের সিএনজি (অটোরিকশা) ভাড়া নিয়ে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সিএনজি চালকরা অভিযোগ করছেন যে, প্রতি যাত্রীর থেকে ৫০ টাকা এবং রাস্তার মাথা থেকে ৬০ টাকা ভাড়া সংগ্রহ করা হলেও, কিছু কথিত সাংবাদিক ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের কাছে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
চালকদের ভাষ্যমতে, এই পরিস্থিতি তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং তারা বলছেন, “যদি সাংবাদিক বা পুলিশ আমাদের কাছে টাকা না নিতেন, তাহলে আমাদের বাড়তি ভাড়া নিতে হতো না।” তারা দাবি করছেন, এই চাপের কারণে তারা নিয়মিত ভাড়ার বাইরে গিয়ে বাড়তি টাকা নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
মোহরা পুলিশ বক্সের ইনস্পেক্টর জানান, তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে কোনো সিএনজি চালকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাননি। তিনি বলেন, “যদি চালকরা ব্যক্তিগতভাবে টাকা দেন, তাহলে আমি কিছু করতে পারব না। তবে অভিযোগ পেলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”
এদিকে, স্থানীয় জনগণের মধ্যে এই বিতর্ক নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা মনে করছেন, সাংবাদিক ও পুলিশের নাম ব্যবহার করে সিএনজি চালকদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যা ভাড়ার ন্যায্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে সিএনজি ভাড়া নিয়ে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং চালক ও যাত্রীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
মোহরা পুলিশ বক্সের ইনস্পেক্টর আরো বলেন, “আমি কিছু সাংবাদিককে ব্যাক্তিগতভাবে চিনি। তারা নিজেদের পেশাগত কাজের জন্য সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করেন, কারণ তারা মোটরসাইকেল চালাতে পারেন না। তারা গাড়ির ড্রাইভারকে ভাড়া দেন, এবং আমি তদন্ত করে দেখেছি যে, তারা কোনো ড্রাইভার থেকে টাকা নেন না। আমি যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করি।”
এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।