1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

শুধু উপাসনালয় নয়—সুলতান মসজিদ সিঙ্গাপুরের ইসলামী পরিচয়ের জীবন্ত প্রতীক

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

সিঙ্গাপুর ভ্রমণে ইসলামি ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে পর্যটকদের নজর কাড়ে সুলতান মসজিদ। রোচোর জেলার কম্পুং গ্ল্যামের মাসকট স্ট্রিটের উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত এই মসজিদটির নামকরণ করা হয় জোহরের সুলতান হুসেন শাহের নামে। ১৯৭৫ সালে এটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভের মর্যাদা পায়।

১৮১৯ সালে ব্রিটিশদের কাছে সিঙ্গাপুর হস্তান্তরের পর সুলতান হুসেন ও টেমেংগং আব্দুল রহমান ক্ষমতার বিনিময়ে সম্পদ লাভ করেন এবং কাম্পুং গ্ল্যামে বসবাসের অনুমতি পান। মালয় ও মুসলিম অধ্যুষিত এই এলাকায় সুলতান হুসেন তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের নিয়ে প্রাসাদ নির্মাণের পাশাপাশি বড় একটি মসজিদ করার সিদ্ধান্ত নেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থায়নে ১৮২৪ থেকে ১৮২৬ সালের মধ্যে পিরামিড আকৃতির ছাদসহ প্রথম মসজিদটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে নতুন ভবন নির্মাণের সময় মূল অংশ সংস্কার করা হয়।

সুলতানের নাতি আলাউদ্দিন শাহ ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত মসজিদ পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেন পাঁচজন সম্প্রদায় নেতার কাছে। ১৯১৪ সালে সরকার আরও ৯৯৯ বছরের ইজারা নবায়ন করে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দল থেকে প্রতিনিধি নিয়ে নতুন বোর্ড অব ট্রাস্টি গঠন করা হয়।

২০ শতকের শুরুতে সিঙ্গাপুরে মুসলিম জনসংখ্যা, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়তে থাকায় পুরোনো মসজিদটি স্থান সংকুলানহীন হয়ে পড়ে। ১৯২৪ সালে, মসজিদের শতবর্ষে, নতুন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়।

বর্তমানে সুলতান মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়—এটি সিঙ্গাপুরের ইসলামি ঐতিহ্য, ইতিহাস ও স্থাপত্যকলার উজ্জ্বল প্রতীক। দেশি-বিদেশি অসংখ্য দর্শনার্থী প্রতিদিন এই মসজিদ দেখতে আসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.