1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
নওগাঁয় অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় ভ্যান চালক নিহত বিজিবির ধাওয়ায় গাঁজা ফেলে ভারতে পালাল চোরাকারবারিরা কোম্পানীগঞ্জে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, ১২ লাখ টাকার মাছ মারা যাওয়ার অভিযোগ নওগাঁর বদলগাছীতে মুরগি খামারের বর্জ্যে ক্ষতির মুখে সাধারণ কৃষক মৌলভীবাজার টিটিসিতে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার গাইবান্ধায় রিপোর্টার্স প্রেসক্লাব এর আগামী ৩ বছরের১৭ বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা আগৈলঝাড়ায় বিদ্যালয় ও মন্দিরেযাতায়াতের রাস্তার ইট তুলে ফেলার অভিযোগ সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৫৬ কোটি টাকার জমি দখলের চেষ্টা,ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠেকাল রেল কর্তৃপক্ষ শাহজাদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেপ্তার মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান: আগাম সবজি চাষে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশন

খুলনায় নতুন কারাগারে ১০০ বন্দি কয়েদি পেলেন নতুন ঠিকানা।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩ দেখেছেন

গোলাপ রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরন করা হলো ১০০ কয়েদিকে। আজ ১ নভেম্বর সকাল ১১ টার দিকে তিনটি গাড়িতে তাদের নতুন কারাগারে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নেওয়া হয়। নতুন স্থাপনা উদ্ধোধনের পর এটি ছিল প্রথম দফায় বন্দিদের স্থানান্তর। বন্দিদের নতুন কারাগারে স্তানান্তরের সময়ে উপস্থিত ছিলেন কারা উপ মহাপরিদর্শক মনির আহমেদ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান। জেলার মুনীর হুসাইন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। সুত্র জানায় প্রথম ধাপে নতুন ঠিকানায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল গত শনিবার ২৫ অক্টোবর। কিন্তু খুলনার নতুন জেলা কারাগারের নির্মান কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় এ কার্যক্রম এক সপ্তাহ পিছিয়ে যায়। এরই মধ্যে মাটি ভরাটের কিছু কাজ হলেও পুরোপুরি কাজ শেষ হয়নি। অপরদিকে পুরানো কারাগার মেট্রোপলিটন এলাকার এবং নতুন কারাগারে জেলার বিভিন্ন এলাকার বন্দিদের রাখা হবে। এদিকে ১৪৪ কোটি টাকার প্রকল্পটি ৮ বার মেয়াদ বাড়িয়ে দুই দফায় সংশোধনের পর ২৮৮ কোটি টাকায় করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন নাগরিক নেতারা। গনপুর্ত অধিদপ্তর বলছে, কারা কতৃপক্ষকে সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু কাজ এখনোও চলমান। জানাগেছে, খুলনা সিটি ( রুপসা সেতু) বাইপাস সড়কের প্রায় ৩০ একর জমির ওপর নতুন কারাগার নির্মানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১১ সালের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে ( একনেক) প্রকল্পটি প্রস্তাব আনা হয়। ১৪৪ কোটি টাকার বাজেটে ঔই কমিটি কারাগার নির্মানের অনুমোদন দেয়৷ ২০১৬ সালের জুন মাসে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে ২০১৭ সালের জুন মাসে নতুন কারাগার নির্মান কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের জুন মাসে আধুনিক এই কারাগারের নির্মান কাজ শেষ হয়। তবে করোনো মহামারী সহ নানা জটিলতায় ৮ বার নির্মান কাজের সময় বাড়ানো হয়েছে। দই দফায় সংশোধনের পর ব্যয় বেড়ে হয়েছে ২৮৮ কোটি টাকা। নতুন কারাগারে বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য আলাদা ইউনিট করা হয়েছে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যারাক।নারী বন্দিদের জন্য হাসপাতাল, কাজের জায়গা ও একটি মোটিভেশন কেন্দ্র সহ পৃথক অংশ রয়েছে। এজন্য নির্মান করা হয়েছে ১০০ শয্যার হাসপাতাল। কারা কর্মীদের সন্তানদের জন্য একটি স্কুল, ডে কেয়ার ও মোটিভেশন সেন্টার। কারাগারে হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ শেড এবং বিনোদন ও সাংস্কৃতিক সুবিধা রয়েছে। একটি গ্রহ্নাগার রয়েছে, এখানে ছোট, বড় ৬৪ টি ভবন নির্মিত হয়েছে। ১৯১২ সালে ভৈরব নদীর তীরে খুলনার বর্তমান পুরাতন কারাগারটি নির্মিত হয়েছিল। খুলনা সিটি কর্পোরেশন ২১ বছর আগে অথ্যাৎ ২০০৪ সালে এ ভবনটিকে ঝুকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে। ৬৭৮ জন বন্দির ধারণ ক্ষমতা নিয়ে তৈরি করা হলেও বর্তমানে একানে ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি বন্দি রয়েছে। কারাগারের পুরনো এই কাঠামোটি নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়েছে। খুলনা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, গত ২৫ অক্টোবর নতুন কারাগারে বন্দি। স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় কারা কতৃপক্ষ। এছাড়া ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধনের দিন নির্ধারন করা হয়। সেই অনুযায়ী ২৩ অক্টোবর সেখানে পরিদর্শনে যাই। সেখানে দেখি যে, এখোনো কিছু কাজ বাকি। ট্রাক নিয়ে ভিতরে মাটি ফেলে ভরাট করে লেবেল করছে। এছাড়া ছোট খাটো আরো কিছু কাজ করতে হবে। এজন্য ৩-৪ দিন সময়ের প্রয়োজন। একারনে কারা অধিদপ্তর থেকে নির্দেশ দিয়েছে- ১ নভেম্বর পুরানো কারাগার থেকে ১০০ বন্দি নতুন কারাগারে স্থানান্তর করা হবে। তিনি বলেন, এই কারাগারে জেলার বিভিন্ন এলাকার সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের এবং পুরানো কারাগারে মেট্রোপলিটন এলাকার বন্দিদের রাখা হবে। তবে কারারক্ষীর সংকট রয়েছে। পুরনো কারাগারে প্রায় ২০০ কর্মী রয়েছে। আপাতত এই কর্মী দিয়েই কারাগারের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। নতুন করে ৬০০ কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। নতুন কারাগারটি চালু হলে ধাপে ধাপে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান জেল সুপার। খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এ্যাড: বাবুল হাওলাদার বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন কারাগার নির্মান করা হয়েছে। সেখানে কাজের গাফিলতির কারনে নির্মান কাজের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হলো সেটা তদন্ত করে বের করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.