নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধ ভাবে উপ পরিচালক ও পরিচালক পদে পরিতোষ কুমার বিশ্বাসকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে সরকারের ১ কোটি ২৭ লাখ টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে খুলনা ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য সহ ৬ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক)। গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির উর্ধবতন একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। আসামিরা হলেন, অবৈধ ভাবে নিয়োগ পাওয়া যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালক ( পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস) পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সাত্তার,খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ জামাল হোসেন, অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক ( অবসরপ্রাপ্ত) বেনু কুমার দে এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মোঃ আহসান হাবিব। প্রতিবেদন সুত্রে জানা যায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী অভিজ্ঞতা না থাকা এবং বয়সসীমা অতিক্রম করা সত্ত্বেও উপ পরিচালক ও পরিচালক পদে পরিতোষ কুমার বিশ্বাসকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সাথে অবৈধভাবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীরকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অনুসন্ধানে দেখা্যায়, বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে সরকারি অর্থের ক্ষতি করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৪২০/৪০৯/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।