1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর ৯০ দিনের কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় গাজীপুরে মশক নিধন অভিযান জোরদার, মাঠে ৫০০ কর্মী বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জৈব সার: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন সম্ভাবনার প্রকল্প পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী পূর্বধলায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক পলাতক বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বেড়িবাঁধের আগাছা পরিষ্কারে বেতাগীতে ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কালকিনি সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা;সভাপতি রকিবুজ্জামান ও সাধারন সম্পাদক কাইয়ুম বাঘায় পরকীয়ার অভিযোগে যুবককে মারধর, পরে বাড়িতে আগুন সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে প্রতিরোধ মিছিল আশুগঞ্জে মাহিদার ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন

হরগজ দক্ষিণপাড়া ফৌজিয়া মালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকের ব্যক্তিগত দখলে

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবস্থিত ৭৮ নং হরগজ দক্ষিণপাড়া ফৌজিয়া মালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিকে নিজস্ব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করেছেন বিদ্যালয়টির দায়িত্বরত সহকারী শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সকাল ৮ টায় বিদ্যালয়টিতে প্রাইভেট ব্যবসা পরিচালনা করছেন বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। তার প্রাইভেট ব্যবসার কাছে জিম্মি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে জানা যায়, তারা অত্র বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রী। তারা নিয়মিত বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ক্লাসে প্রাইভেট পড়ে। তার কাছে প্রাইভেট পড়তে হলে প্রতি ছাত্রছাত্রীকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে মাসিক বেতন গুনতে হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, এই রফিক মাষ্টারের কাছে প্রাইভেট না পড়লে সেই ছাত্র-ছাত্রীদের তার নানা ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়। এমনকি তার কাছে প্রাইভেট না পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার নাম্বারও কম দেন।

আবার জানা যায়, চতুর্থ শ্রেণীর দুইজন শিক্ষার্থী বাদে সকল শিক্ষার্থী তার কাছে প্রাইভেট পড়ে। আর এই দুইজন শিক্ষার্থীর প্রাইভেট না পড়ার কারণ হলো তাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ।

তাছাড়া এই সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম সরাসরি গাইড কোম্পানির সাথে জড়িত। সে শিক্ষার্থীদের চাপ প্রয়োগ করে ফুলকলি গাইড কিনতে বাধ্য করে। তার চাপের মুখে পড়ে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ফুলকলি গাইড কিনতে বাধ্য হয়।

চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, আমি আমার বাচ্চাকে প্রথমে অন্য গাইড কিনে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে রফিক মাস্টার আমাকে পুনরায় ফুলকলি গাইড কিনতে বাধ্য করেছেন।

এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাইভেট পড়ানো কোন অন্যায় বিষয় না। আমি ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার জন্যই তাদেরকে আলাদা ভাবে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্পেশাল পাঠদান করে থাকি।

হরগজ এলাকার আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি ভবন ব্যবহার করে তিনি এই প্রাইভেট ব্যবসা করে ব্যাপক ভাবে সফল বানিজ্য করে যাচ্ছেন। আমরা তাকে নিষেধ করলে তিনি জানান, স্কুলে আমি চাকরি করি স্কুল আমার নিয়মেই চলবে।

এ বিষয়ে সুশীল সমাজ দাবি করেন, এই অসাধু শিক্ষককে অতি তাড়াতাড়ি আইনের আওতায় না আনলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধার সঠিক মূল্যায়ন শিক্ষকদের কাছ থেকে পাবে না।

এ বিষয়ের সাটুরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতুল চন্দ্র সরকার জানান, স্কুল ভবনে প্রাইভেট পড়ানো বা বাচ্চাদের গাইড কিনতে বলার কোন সুযোগ নেই। এমনটা হয়ে থাকলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.