1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: মঈন খান ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাতে ফিরেছে পথচারীর স্বস্তি বিজেএমসির বন্ধ পাটকল চালু, বাড়ছে কর্মসংস্থান ঘোড়াঘাট নজরুল বর্ষে উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান বকেয়া বেতন না দিয়ে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগে শাহিনপুকুর সিরামিকে উত্তেজনা পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে কজনকে বাঁচাতে ১০ জনের গলা চেপে ধরছে সরকার তেল-গ্যাসের দাম , ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি প্রাইভেট বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ শিবালয়ের শাকরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হিজলা উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রামের পাহাড়ে নিখোঁজ ৭ স্কুলছাত্র একদিন পর জীবিত উদ্ধার, অভিভাবকদের সচেতনতার প্রয়োজন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পাহাড় দেখতে গিয়ে নিখোঁজ ৭ স্কুলছাত্রকে একদিনের পর উদ্ধার করা হয়েছে। তারা নিজেদের অভিভাবকদের না জানিয়ে পাহাড়ে ভ্রমণে বের হয়েছিলো এবং দুর্ঘটনাবশত পথ হারিয়ে ফেলেছিলো।

গত শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার ধুইল্যা জিরির গহীন জঙ্গলে প্রবেশ করে এই সাত ছাত্র শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতটার দিকে উদ্ধার হয়। তাদের অভিভাবকরা রাত সাড়ে ৯টায় বাঁশখালী থানায় নিখোঁজের বিষয়ে জিডি করেন। জিডি করার পর পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়।

নিখোঁজ সাত স্কুলছাত্র হলেন: সালাউদ্দিন ওয়াশিমের ছেলে আবরার উদ্দিন ইশরাক (১০), মো. মঞ্জুর আলমের ছেলে মাহাতাব সামিদ (১০), শিব শংকর দাসের ছেলে কৃদুশিক দাস (১০), মো. ইউনুসের ছেলে মোহাম্মদ জিনান (১০), মাহামুদুলের ছেলে মোহাম্মদ বিন মাহমুদ আল জাওয়াহারি (১১), আবুল কাসেমের ছেলে আক্তারুজ্জামান বাবু (১০) এবং নবী হোসেনের ছেলে মো. সাঈদ (১০)। তারা সবাই বাঁশখালী উপজেলা সদরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়াই ৭ ছাত্র পাহাড় দেখার বের হয়। বেশ কয়েকটি পাহাড় ঘুরে তারা যখন গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করে, তখন পথ হারিয়ে ফেলে। তাদের খোঁজাখুঁজির জন্য অভিভাবকরা ৯টা রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে, তারপর থানায় গিয়ে জিডি করেন।

এ ঘটনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে এবং পুলিশের তিনটি টিম মাঠে নামিয়ে অভিযান চালানো শুরু করে। শেষ পর্যন্ত, শনিবার সকালে কৃষকরা যখন পাহাড়ে কাজ করতে যায়, তখন তারা ওই সাত ছাত্রকে দেখতে পায়। পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ প্রশাসন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদুল আলম।

উদ্ধারকারী দলের কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “অভিভাবকদের অভিযোগ নিয়ে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করি এবং CCTV ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযান চালিয়েছিলাম। অবশেষে আমরা তাদের উদ্ধার করেছি।”

ইউএনও জামশেদুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “উদ্ধার কাজের জন্য প্রশাসন এবং পুলিশের প্রচেষ্টা কম নয়, তবে অভিভাবকদের অজ্ঞতা ও অসচেতনতার কারণে পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল।”

এই বিপত্তির ঘটনার পর, সকল অভিভাবকদের প্রতি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে যেন তারা সন্তানদের নিরাপত্তা ও সঠিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.