নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্য, সহবতপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান জনাব মীর আবুল কালাম আজাদ (রতন) নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে।
রাজনীতির শুরুতে আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও পরিছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এই নেতা ছাত্রনেতা থেকে জননেতায় পরিণত হন। কিন্তু পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে ঢাকায় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। অথচ নাগরপুর ও সহবতপুরে ফেরার পর আবার বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে দলীয় মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতেন।
স্থানীয়দের দাবি, এভাবে দ্বিচারী রাজনীতি করে তিনি সহবতপুর ইউনিয়ন ও নাগরপুর উপজেলার সাধারণ জনগণকে প্রতারিত করেছেন। সুযোগসন্ধানী এই ধরনের নেতাদের কারণে জনগণ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দলও হারাচ্ছে গ্রহণযোগ্যতা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরণের দুই মুখো নেতাদের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কখনো মঙ্গল সম্ভব নয়। বরং উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক ধারাকে এগিয়ে নিতে প্রকৃত আদর্শবান নেতৃত্ব প্রয়োজন।
সহবতপুর ইউনিয়নের সচেতন মহল সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন—এমন সুযোগসন্ধানী নেতাদের থেকে দূরে থাকার জন্য।