মানিকগঞ্জ দৌলতপুর উপজেলা সদরের রাস্তার পাশের জায়গাটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।আশেপাশে বাসা বাড়ি ময়লা-আবর্জনা বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। ফলে এর দুর্গন্ধে পাশ দিয়ে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
এছাড়া ময়লা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পুরো এলাকা দূষিত করছে। এ রাস্তায় প্রতিদিন শত শত মানুষের চলাচল থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়েন পথচারীরা। এতে পরিবেশ দূষণসহ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। স্থায়ী ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না হওয়ার ফলে এলাকাবাসীদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশেই থাকতে হচ্ছে। এখান থেকে দ্রুত ময়লার স্তুপ সরানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাবী জানান স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (১৬সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা অক্সফোর্ড স্কুলের এর পূর্ব পাশ ঘেঁষেই ময়লার ভাগাড়। শিক্ষার্থীরাসহ নাক চেপে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। ময়লার ভাগাড়ের পাশের কয়েকজন লোকজন বলেন, এটার দুর্গন্ধে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমরা অতি দ্রুতই এর একটা প্রতিকার চাই।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন , আমারা সবসময় এই সড়ক দিয়ে চলাচল করি। এক হাত দিয়ে নাক চেপে ধরে এই জায়গাটুকু পার হই। এই ময়লাগুলো যদি এখান থেকে সরানো হতো তাহলে আমাদের চলাচলে আর কষ্ট হতো না।
অক্সফোর্ড স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ আচার্য বলেন, এখানে আমার স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচল করা অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে দ্রুত ময়লা অপসরণের দাবি জানাই।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, খোলা জায়গায় ময়লা ফেললে পরিবেশের যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি মানুষেরও শারীরিকভাবে অনেক ক্ষতি হয়। ময়লা-আবর্জনার পঁচা দুর্গন্ধ নাক দিয়ে মানুষের পাকস্থলীতে গিয়ে নানা ধরনের সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা থাকে। এতে মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। খোলা জায়গা থেকে মশা-মাছিও জন্মায়। তাই খোলা জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ বিষয়ে চকমিরপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, জায়গাটি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিয়ান নুরেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না সাংবাদিকের মাধ্যমে জানলাম পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।