সবুজ পাহাড়, ঝরনার কলকল ধ্বনি আর রহস্যে মোড়া অন্ধকার পথ- এই তিনের সমন্বয়ে বান্দরবানের আলীকদমে অবস্থিত আলীর গুহা হয়ে উঠছে পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যটন খাতের উন্নয়নে এ গুহাকে আধুনিক রূপে সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভাণ্ডার বান্দরবান। আর এই ভাণ্ডারের অন্যতম আকর্ষণ হলো আলীর গুহা, স্থানীয়ভাবে পরিচিত “আলী সুদ্দির গুহা” নামে।
পাহাড়ের বুক চিরে গড়ে ওঠা এ গুহায় প্রবেশ করলে মনে হয়, প্রকৃতি যেন নিজ হাতে রহস্যময় এক রাজ্য নির্মাণ করেছে। ভেতরে ঝুলন্ত শিলা, নানা আকার-আকৃতির পাথর আর শীতল স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ ভ্রমণকারীদের এনে দেয় রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
লোককথা বলছে, বহু শতাব্দী আগে আলী নামের এক সাধক বা যোদ্ধা এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তার নামেই গুহার নামকরণ হয়। স্থানীয়দের কাছে এটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও প্রতীক।
প্রতিদিনই বাড়ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকের পদচারণা। তবে পর্যটক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশের স্বার্থে আলীর গুহাকে সংস্কার ও আধুনিক রূপে সাজানো জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, এ উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে শুধু পর্যটকদের জন্য নতুন দিগন্তই উন্মোচিত হবে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক অবদান রাখবে।