গত ১৬ ই জুলাই এনসিপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, এ ঘটনায় আমরা বিচার বিভাগীয় তদন্ত করব, নিরীহ লোক যাতে হয়রানির না করা হয় সেদিকে আমারা খেয়াল রাখবো। অনেকে নিহত ও আহত হয়েছেন এটা খুবই দুঃখজনক। হত্যাকাণ্ড কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। আমরা জেলখানা, ‘জুলাই শহীদদের’ স্মৃতিস্তম্ভ, এনসিপির সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছি, যেখানে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে আর যেন এরকম ঘটনার পুন:রাবৃত্তি না ঘটে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে আমাদের। ব্যাবসা-বানিজ্যে যাতে বাধাগ্রস্থ না হয় আমরা সেদিকেও খেয়াল রাখব।
২২ জুলাই দুপুরে ১টার কিছু সময় পর গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসকের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে প্রেসব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এসব কথা বলেন। এর আগে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে মত বিনিময় করেন দুই উপদেষ্টা।
এছাড়াও অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁরা প্রথমে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত গোপালগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন। এসময় কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং খোঁজখবর নেন তারা। পরে ভাঙচুর হওয়া ‘জুলাই শহীদদের’ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ এলাকা, শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং এনসিপির পূর্ব নির্ধারিত সভাস্থল পৌর পার্ক এলাকা ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ, মন্ত্রী পরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোতাহের হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলার তানিয়া জামান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম রকিবুল হাসান ও দুই মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।