1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ভূমিধস বিজয় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আস্থা রাখতে চান তৃণমূল কর্মীরা ‘শিশু নোবেল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম

শাহ পরীর দ্বীপের ধর্ষণ ও প্রতারণা মামলার আসামি আয়ুব খান এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১ দেখেছেন

শাহ পরীর দ্বীপের কুখ্যাত সন্ত্রাসী, প্রতারক এবং ধর্ষণ মামলার আসামি আয়ুব খান (ডিলার পুয়া আয়ুব নামে পরিচিত) এখনও গ্রেফতার হয়নি। একাধিক গুরুতর ফৌজদারি মামলার পলাতক এ আসামি দ্বীপের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও, রহস্যজনক কারণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

সাম্প্রতিক অভিযোগ উঠে, আয়ুব খান সাবরাং এলাকার বেশ কয়েকজন নারীর কাছ থেকে সরকারি ত্রাণ দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, গত ১ জুন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে রক্ত দেওয়ার নাম করে এক বৃদ্ধ রোগীর স্বজনের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায় করে পালিয়ে যায় সে।

ভুক্তভোগী বলেন, “ছেলেটি নিজেকে ব্লাড ডোনার বলে পরিচয় দেয়। রক্তের ব্যবস্থা করবে বলে টাকা নেয় এবং কাউন্টারে জমা দেওয়ার কথা বলে সটকে পড়ে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে আর পাইনি। পরে জানতে পারি, সে আরও অনেকের সঙ্গে এভাবে প্রতারণা করেছে।”

এই প্রতারণার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় “কক্সবাজার ব্লাড ডোনার সোসাইটি”। সংগঠনের পক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরলে বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এতে আয়ুব খানের পরিচয় প্রকাশ্যে আসে। এরপর থেকে আয়ুব খান উল্টো ওই ঘটনার তথ্যদাতা ব্যক্তিকে সামাজিক মাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য এবং প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এমনকি “Teknaf 24” নামে একটি স্থানীয় পেজে সংবাদ প্রকাশ করে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টাও করা হয়, যা পরে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় মুছে ফেলতে বাধ্য হয় সংবাদটি।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, আয়ুব খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, প্রতারণা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আয়ুব খানের পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ছত্রছায়া। গণমাধ্যমে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ পেলেও আইনের হাত তার নাগাল পর্যন্ত পৌঁছায়নি। বিষয়টি ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে – আইন কি কেবল দুর্বলদের জন্য?

স্থানীয়দের দাবি, আয়ুব খানকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে করে মানুষ আইনের প্রতি আস্থা ফিরে পায় এবং সমাজে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ হয়।

একজন ভুক্তভোগীর কণ্ঠে দাবি— “অপরাধীর কোনো দল বা পরিচয় থাকতে পারে না, সে যেই হোক না কেন, আইনের আওতায় আসতেই হবে। না হলে সমাজে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিস্তার লাভ করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.