1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
নওগাঁর জয়পুরহাট সীমান্তে সাত জনকে পুশইনের চেষ্টা নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন শাহজাদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস ও আলোচনা সভা  গাইবান্ধায় ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ১ চন্দনাইশ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দস্যুতা মামলার ৩ আসামীসহ গ্রেপ্তার ৮জন সাংবাদিক আসাদ সবুজকে হ্যান্ডকাফ পরানোর ঘটনায় এসআই প্রত্যাহার, জামিন শুনানি বুধবার শার্শার খাজুরায় ভোরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের হেলপার নিহত জেএসএসের অভিষেক প্রস্তুতি ও কমিটি গঠন,প্রতিষ্ঠাতা আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া রাঙামাটিতে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন

অপর ঘটনায় আরো এক সাংবাদিকের নামে মামলা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিক ওয়াহেদ ফকির গ্রেপ্তার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ২৪ দেখেছেন

বায়েজিদ হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি বগুড়া: ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে বগুড়ার স্থানীয় একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল ওয়াহেদ ফকিরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ওই স্ট্যাটাসে নাকি হিন্দু সম্প্রদয়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। যদিও দীর্ঘসময় পার হওয়ার পরও বাদী কে হবে তা নিয়ে টানাহেঁচড়া চলছে। সাংবাদিক আব্দুল ওয়াহেদ ফকির বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মত কিছু লেখেনি। আমি ব্যক্তিগত রোশানলের শিকার হয়েছি। এক মহল আমার বিরুদ্ধে বেশ কিছু দিন ধরে পিছু লেগেছে। তাদের ষঢ়যন্ত্রের শিকার হয়েছি আমি।
রাত পৌনে দশটার দিকে শহরের সাতমাথা থেকে সাংবাদিক আব্দুল ওয়াহেদ ফকিরকে বগুড়ার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে রাখার পর তাকে সদর থানায় রাখা হয়েছে। সেখানে শনিবার রাত এবং রোববার সারাদিন রাখার পরও বাদীর অভাবে মামলা নিতে পারেনি থানা। সারাদিন হিন্দু সম্প্রদয়ের নেতারা মিটিং করেও বাদীকে হবেন তা রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারেননি। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম মঈনুদ্দীন মানবজমিনকে বলেন, আমরা সন্দেহভাজন কাউকে থানায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত আটকে রাখতে পারি। মামলার বাদীকে হবেন হিন্দু সম্প্রদয়ের নেতারা মিটিং করে ঠিক করছেন। এখন পর্যন্ত বিকেল ৫টা কে বাদী হবে আমরা জানি না। তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক যা লিখেছেন তাতে কয়েকটি ধারা লঙ্ঘন হয়েছে। মামলা হয়ে গেলে আসামিকে চালান দিয়ে দিবো।
এদিকে মামলা ছাড়া একজন সাংবাদিককে এভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ায় বগুড়ার সাংবাদিক সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। কারো বিরুদ্ধে যদি কোনো আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে সেটি তদন্ত সাপেক্ষে আমলে নেয়া দরকার ছিল। কিন্তু সাংবাদিক ওয়াহেদ ফকিরকে কেন এভাবে তুলে নিয়ে মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার দেখানো হলো তার পরিষ্কার উত্তর কেউ দিতে পারেননি।
অপর আরেকটি ঘটনায় দৈনিক আমার সংবাদের বগুড়ার শাজাহানপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক নাজিরুল ইসলামের নামে মামলা নিয়েছেন শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়াদুদ আলম।
ঘটনার বিবরণে জানাজায়, উপজেলার নয়মাইল এলাকার আলু ব্যবসায়ী শাহাদত হোসেন চলতি বাংলা বছরে আড়িয়াবাজার ইজারা পান। গত ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যার পর ইজারার টাকা তুলতে আড়িয়া বাজার থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে মানিকদিপা গ্রামে যান শাহাদতসহ তার তিন সহযোগী। ইজারা আদায়ের নামে চাঁদাবাজি করতে গেলে ইজারাদারসহ তার তিন সহযোগীকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা। অবরুদ্ধরা হলেন উপজেলার বামুনিয়া মন্ডলপাড়া গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে বগুড়া জেলা আলু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও আড়িয়া বাজারের ইজারাদার শাহাদত হোসেন (৪০), একই এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে শহিদুল ইলাম (৪৫), কাটাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে ওয়াহিদ কুরাইশি মুরাদ (৪৫) এবং বামুনিয়া তালপুকুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন (৩০)।
শাজাহানপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেনাবাহিনীর নিকট তাদের তুলে দেওয়ার কথা জানান। কিন্তু শাজাহানপুর থানার ওসি ওয়াদুদ আলম উত্তেজিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন। ওসির উপর আস্থা রেখে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় অবরুদ্ধদের। কিন্তু তাদের থানায় না নিয়ে পথেই ছেড়ে দেয় পুলিশ।
ঘটনার এক সপ্তাহ পর শনিবার ইজারাদার শাহাদত হোসেনের প্রতিনিধি আব্দুল ওহিদ মুরাদ বাদি হয়ে দৈনিক আমার সংবাদের শাজাহানপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক নাজিরুল ইসলামসহ কৃষক, জনপ্রতিনিধিসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনের নামে থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করেন থানার ওসি।
মামলার আসামি সাংবাদিক নাজিরুল বলেন, সেদিন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমি। ঘটনার লাইভ ফেইসবুকে প্রচার করেছি। এটাই আমার দোষ।
শাজহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওয়াদুদ আলম জানান, সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনা পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিলে এখনও গ্রহণ করা হবে। তবে নাজিরুল যে সাংবাদিক জানা ছিল না।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.