এস.এম শহিদুল ইসলাম (বাবলু), নিজস্ব প্রতিবেদক: উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুর বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে এ বছরে তামাক পাতা চাষের জেলা হিসেবে শীর্ষ স্থানে রয়েছে লালমনিরহাট জেলা।
গতবছরের তুলনায় এ বছরে তামাক চাষের পরিমাণ বেড়েছে সেই সাথে জমির উর্বরতা এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বাস্থ্য ক্ষতিকর স্বাস্থ্যঝকি।
জানা গেছে, তামাকজাত কোম্পানির প্রলোভনে ও অধিক মুনাফার আশায় তামাক চাষে আগ্রহী উঠছেন এ অঞ্চলের কৃষকেরা।তামাক উৎপাদনের আগেই কোম্পানিগুলোর বিক্রির নিশিচয়তা, মূল্য নির্ধারণে চাষীদের অতি লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে তামাক চাষ আর কাজের আসছে না কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ।
লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়,গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর লালমনিরহাটের যেসব এলাকায় আবাদি জমিতে ধান,গম, ভুট্টা সরিষা ও আলুসহ বিভিন্ন আগাম জাতের সবজি চাষ করা হতো,সেইসব জমিতে এখন তামাক চাষ হচ্ছে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হারে।
লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলা সহ তিস্তা নদীর অত্যন্ত,
চরাঅঞ্চল গুলোতে দিন দিন বেড়েই চলছে তামাক চাষের প্রভাব। তামাক চাষের জমিতে বড়দের পাশাপাশি ছোট ছোট শিশুদের চালিয়ে নিচ্ছে তামাক চাষের পরিচর্যার কাজে।
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপটিবাড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পূর্বদোলজোরের একাধিক কৃষকেরা জানান একাধিক কৃষকরা জানান,লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে আদিতমারী উপজেলার চাষ বেশি হয়।এর কারণে অন্যান্য ফসল করে চাষ করে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় শ্রমিকের হয় তারা এবছর দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ফলে অধিক মুনাফার আশায় স্বাস্থ্যঝুঁকি যেন তারা তামাক চাষের আগ্রহী হচ্ছেন।তারা আরো বলেন সিগারেট কোম্পানির মাধ্যমে তামাক চাষীদের জন্য একোর প্রতি জমিতে বীজ ও নগদ টাকা প্রদান করছেন।সেই সঙ্গে ইউ সুফি সারের জন্য টাকা সার আগাম দেওয়া হয়লালমনিরহাট সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায় বলেন,তামাক চাষের সেবন মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকার ও ঝুঁকিপূর্ণ।
তামাক পাতার বিড়ি,সিগারেট খইনি,জর্দ নানা ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করায় বাড়ছে শ্বাসকষ্ট,স্টক চর্ম ক্যান্সার সহ নানা বিধি রোগ।তামাক চাষের কারণে কৃষকের পাশাপাশি স্বাস্থ্য জগতে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডক্টর মোহাম্মদ সাইফুল বলেন,গত বছরের তুলনায় লালমনির জেলার পাঁচটি উপজেলার মোট ১৫ হাজার ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ করা হয়েছে।যা গত বছরের তুলনায় ৯৮৬৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ বেশি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন কিসে জমি এবং স্বাস্থ্যের জন্য তামাক চাষ ক্ষতিকর ঝোঁকিপূর্ণ।
আমাদের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন সভা সেমিনার ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তামাক চাষী কৃষকদের তামাক চাষের প্রতি নিরু উৎসাহিত করা হচ্ছে।তবে তামাক জাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কৃষকদের বিনামূল্য তামাকের বিষ বিনা সুদে ঋণ দেওয়া অধিক লাভজনক হওয়ায় কোন পরামর্শই কাজে আসছে না বলে তিনি জানান।যে কারণে তামাক চাষের আগেই বেশি হচ্ছে এ অঞ্চলে কৃষকরা।