কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানাধীন মিরেরপাড়া, কাসেম বাজারস্থ স্থানীয় যুবদলের পার্টি অফিসে হামলা, ভাংচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি কুদরত এ গনি এবং মাঠপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হক,মোখলেস এর বিরুদ্ধে। এ সময় থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আজিজুল রহমান (৩৮) সহ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার মিরেরপাড়া, কাসেম বাজারস্থ স্থানীয় যুবদলের পার্টি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ভুক্তভোগী আজিজুল দৌলতপুর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহার সুত্রে জানা যায়। আমি মোঃ আজিজুল রহমান (৩৮), পিতা-মরজেম আলী, সাং- মিরেরপাড়া, ০১ নং প্রাগপুর ইউপি, থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া থানায় হাজির হয়ে আসামী ১। মোঃ কুদরত এ গনি (৫২) ২। মোঃ মঈনুদ্দীন (৪৫) উভয় পিতা-মৃত মুক্তার মেম্বার, ৩। মোঃ হালিম (৩৫) পিতা-দীন মোহাম্মদ, ৪। দীন মোহাম্মদ (৫৮) পিতা-মোঃ সামসুল @ ভাষা মালিথা, ৫। মিম হাসান (৩০) পিতা-মোঃ কুদরত এ গনি, ৬। মোঃ তুহিন (৩৫) পিতা-মোঃ শাহিনুল ইসলাম, ৭। মোঃ রবিউল ইসলাম (৩২) পিতা-মোঃ পাঞ্জাতন মালিথা, ৮। মোঃ রুবেল (৩১) পিতা-হাকিম মালিথা, ৯। মোঃ মাহাবুব (৩৫) পিতা-মোঃ রেজাউল হক, সর্ব সাং-প্রাগপুর, ০১ নং প্রাগপুর ইউপি, থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া ও তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন আসামীদের বিরুদ্ধে এই মর্মে এজাহার দায়ের করিতেছি যে, আসামীগন পরস্পর আওয়ামীলিগ দলের সক্রিয় সদস্য। ইং-০৫/০৮/২০২৪ তারিখ ফ্যাসিবাদী সরকার হাসিনার পালানোর পর তাহারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দেশে অস্থীতি সহিংসতা পরিস্থিতি সৃষ্টি করা পরিকল্পনায় মরিয়া হইয়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন দলের উপর আক্রমন করার ষড় যন্ত্র করার সুযোগ খুজিতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ইং-০৭/০১/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.৩০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত আসামীগন সহ তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন আসামীদের হাতে দেশীয় তৈরী লোহার রড, লাঠি, বাঠাম, হকিস্টীক, লোহার হাতুড়ি, এস এস পাইপ, লোহার কুড়াল, রামদা,তরবারী ও আগ্নেয়াস্ত্র এবং ককটেল বোমা, নিয়া বেআইনী জনতা বন্ধে দৌলতপুর থানাধীন মিরেরপাড়া, কাসেম বাজারস্থ আমার যুবদলের পার্টি অফিসের ভিতর অনধিকার প্রবেশ করিয়া ১ নং আসামী মোঃ কুদরত এ গনি এর হুকুমে অন্যান্য সকল আসামীরা আমাকে সহ আমার দলীয় কর্মীদের উপর আক্রমন করিয়া এলোপাতাড়ি মারপিট করিতে থাকে। অফিসের চেয়ার টেবিল ভাংচুর করিয়া অনুমান ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা ক্ষতি সাধন করে। দলীয় প্রধান শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাহেব সহ সংবলিত বেগম খালেদা জিয়া, ও তারেক জিয়া সহ আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার টাংগানো ছবি ছিড়ে পাড়াইয়া ভাংচুর করিয়া অসম্মান জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। আমি সহ আমার লোকজন বাধা দিলে তাহারা আগ্নেয়াস্ত্র বাহির করিয়া হত্যার হুমকি দিয়া গুলি মারার ভয় দেখায়। আসামীদের কাছে থাকা কয়েকটি ককটেল বোমা বিস্ফোরন ঘটাইয়া আতংক সৃষ্টি করে। পরে আমাদের ডাক চিৎকারে সাক্ষী ১। মোঃ কামাল হোসেন (৪০) ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি) পিতা-মৃত ফরজ বিশ্বাস, সাং-মহিষকুন্ডি, ২। মোঃ আজিজুর রহমান সাজু
(৪৪) পিতা-মৃত মুনচুর রহমান, ৩। মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৯) পিতা মৃত রবকুল হোসেন মেম্বর,উভয় সাং-মিরেরপাড়া, থানা-দৌলতপুর, জেলা-কুষ্টিয়া সহ আশ পাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে সকল আসামীরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়া উড়ো ফায়ার করতে করতে আতংক সৃষ্টি করিয়া চলে যায়। এই ঘটনার বিষয়ে নেতা বর্গদের অবহিত করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে বিলম্ব হইল। ভুক্তভোগী যুবদল নেতা আজিজুল রহমান জানান, সম্প্রতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি কুদরত এ গনি এবং মাঠপাড়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হকের নেতৃত্বে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিম মেম্বর, সেলিম বিশ্বাস, মোঃ মঈনুদ্দীন (৪৫), মোঃ হালিম (৩৫), দীন মোহাম্মদ (৫৮), মিম হাসান (৩০), মোঃ তুহিন (৩৫), মোঃ রবিউল ইসলাম সহ ১৫-২০ জনের আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে আমার দলীয় অফিসে হামলা চালিয়ে অফিস ভাঙচুর এবং ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ করে। এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে আহত করেন। এবিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি এজাহার পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।