বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে – সবার আগে বাংলাদেশ। একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, তথা দুর্নীতি মুক্ত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তারপরেও
সরকারের চোখকে ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। খবরে জানা গেছে, দারুস সালাম থানাধীন দারুস সালাম মহল্লায় মাদক ব্যবসাজমজমাট। কোন অবস্থাতেই থামছে না মাদক ব্যবসা। স্থানীয় একজন প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলে,দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছাত্র হত্যা মামলার আসামি সোহরাব হোসেন ও তার স্ত্রী সাবেক মহিলা কাউন্সিলর বর্তমান দারুস সালাম থানা সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা ইতি তাদের দেবর দারুস সালাম ইউনিট ,আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম রাসেল, দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের,যুগ্ম আহবায়ক শাহ জামাল এডভোকেট সুমন হাওলাদার, জুয়েল রানা, করিম, বাবুল মিয়া ও তার ছেলে থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাজমুস সাকিব তাদের ছত্র ছায়ায় দারুস সালাম মহল্লার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী এবং ফ্লাট দখলদারদের দৌরত্ব কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না। তারা মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে। সোসাইটি এলাকায় আলমগীর, তার স্ত্রী শালিকা ও তার পরিবারের ইমন অন্যান্য সদস্যরা যাদেরকে দারুস সালাম এলাকায় ইয়াবা ডিলার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সোসাইটি এলাকায় কেজি হিসেবে গাজা বিক্রি ও ক্যারাম খেলার মাধ্যমে জুয়ার আসর করছেন। জামাই মমিন ও তার দুই ছেলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ হত্যার
অন্যতম আসামি ইসলামের বিশ্বস্ত হাতিয়ার সুজন নোহাস ও তার শ্যালক ইব্রাহিম এবং নিয়মিত জুয়ার আসর পরিচালনা করছেন জামাই মুমিনের বিদেশ ফেরত শ্যালক আবু সাঈদ, ডিস মান্নান ও তার দুই ছেলে, সালাম এলাকার সোসাইটি গেটের পাশে জলিলের বাসায় নিয়মিত মাদক সেবনকারীদের একটি আসর বসে দারুস সালাম ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি রাসেলের তত্ত্বাবধানে, দারুস সালাম
বাসের সাঁকো এলাকায় দাপটের সাথে ইয়াবা ব্যবসা করছেন আফসুর ভাইগ্না ল্যাংড়া জুয়েল। সাবেক জাসদ নেতা শামীম টাওয়ার এলাকায় দারুস সালাম টাওয়ার ফেস ২ এর বিপরীতে ছোট চায়ের দোকান বসিয়ে সবুজ সেনা কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের গেটে ইয়াবা সম্রাজ্ঞী রেখা ও তার ছেলে গুলশান গলিখ্যাত স্বপ্ননীর আবাসিক এলাকায় রাতের ইয়াবা আড্ডা বসায় তুহিন ও তার সাঙ্গোপাঙ্গ, পুলিশ বিল্ডিং বা পুলিশ গলিতে আইস নামক মাদকের আড্ডা বসায় আফসুর ভাতিজা যুবলীগ নেতা আশিক দারু সালাম বউবাজার তিন রাস্তার মোড়ে আমজাদের ছোট ছেলে। এ ছাড়া দারুস সালাম সাঁকো পাড় এলাকায় পদ্মা বিল্ডিং এ বিভিন্ন ফ্ল্যাট
দখলের রাজত্ব কায়েম করছেন বাদশা মিয়া এলাকার নিরীহ জনগণ ভয়ে ভীত হয়ে নীরবে সব সহ্য করছে। এমন লোক পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে এলাকা ছেড়ে দিচ্ছে অনেকই। এলাকার জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা এই পরিস্থিতি উত্তরনেরজন্য প্রশাসনের শক্ত হস্তক্ষেপ আশা করছেন। প্রশাসনই পারে এলাকার নিরীহ জনগণকে এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে। তারা দুষ্টু লোকের কাছে জিম্মি
হয়ে আছে, তাদের অনেক আশা প্রশাসন তাদেরকে এই অবস্থা থেকে উদ্ধার করবে।