মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে সোচ্চার হতে হবে যে মাদক সেবন করে এবং মাদক সেবনে উৎসাহ দেয়, সে কখনোই প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না।মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা শুরু করতে হবে পরিবার থেকে। শৈশব থেকে সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে। সন্তানের ভালো লাগা, মন্দ লাগাকে গুরুত্ব দিতে হবে। অহেতুক সন্তানদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি করবেন না।’
মাদক সেবন ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধে পরিবারের তরুণ সদস্যদের আচরণ পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। বন্ধুদের সম্পর্কেও খোঁজ-খবর রাখতে হবে। সন্তানের সামনে বা ছোট শিশুর সামনে ধূমপান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
যদি কেউ মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে, তাকে হেয় করা যাবে না; বরং মাদকের কুফল সম্পর্কে তাকে অবগত করতে হবে। জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার পরামর্শ দিতে হবে। সৃজনশীল নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।
যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই এই বিষয়ে জোড় দিতে হবে।খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজের পরিবর্তন করতে চাই। যুবসমাজ যাতে কোনভাবেই মাদক ইভটিজিং অনৈতিক বা অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে জড়িয়ে না পরে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যুবসমাজ যেন সমাজের অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় সেজন্য তাদেরকে উৎসাহিত করছি। যারা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়েছে তারা যেন সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সেই প্রত্যাশায় আমরা খেলাধুলার আয়োজন করছি। আমরা আগামীর বাংলাদেশে সুন্দর সুশীল যুবসমাজ দেখতে চাই।যুবসমাজের সাথে আমি আছি সবসময়, সবাই যেন খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে সেই চেস্টা অব্যাহত রাখবো। সমাজে যাতে কোনও ধরনের অশান্তি অরাজকতা না ঘটে সেজন্য আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।