আমি মোঃ মেহেদী হাসান সাদ্দাম।
আমি শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে আসতে চাই না—আমি চাই নির্বাচনের পরও প্রতিটি মানুষের পাশে থাকতে।
আমি যদি আপনাদের ভোটে ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হই, তাহলে জনগণের অধিকার নিয়ে কোনো আপস করব না। অন্যায়, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।
আমার অঙ্গীকার:
১, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা:যোগ্য ব্যক্তির অধিকার কোনোভাবেই অন্যের হাতে যেতে দেওয়া হবে না। ভাতা বণ্টনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
২, রাস্তাঘাট ও উন্নয়ন:৭ নং ওয়ার্ডের জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট, চলাচলের সমস্যা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যে কাজ জরুরি, সেটি আগে—অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় নষ্ট নয়।
৩, জনগণের অধিকার:কোনো ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন বা প্রভাবশালী মহলের চাপে জনগণের ন্যায্য অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হবে না।
৪, স্বজনপ্রীতি নয়:আমার কাছে আত্মীয়-স্বজন, পরিচিত-অপরিচিত বলে কোনো বিভাজন থাকবে না। যোগ্যতা ও প্রকৃত প্রয়োজনই হবে অগ্রাধিকার।
৫, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান:আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করা হবে এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখা হবে।
৬, জবাবদিহি:আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে জনগণের কাছেই জবাবদিহি করব। মেম্বারের চেয়ারকে ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবার দায়িত্ব হিসেবে দেখব।
আমি এমন প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না, যা বাস্তবে পালন করা সম্ভব নয়।
যা পারব, তা স্পষ্টভাবে বলব; আর যে দায়িত্ব নেব, তা পালন করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
মনে রাখবেন ভোট শুধু একজন মেম্বার নির্বাচনের বিষয় নয়; ভোট হলো আগামী পাঁচ বছরের জন্য আপনার এলাকার প্রতিনিধি ও জবাবদিহির মানুষ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।
৭ নং ওয়ার্ড ঘোপখালির উন্নয়ন, মানুষের অধিকার ও সম্মানের প্রশ্নে কোনো আপস নয়।
আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার শক্তি। মোঃ মেহেদী হাসান সাদ্দাম।মেম্বার প্রার্থী — ৭ নং ওয়ার্ড, ঘোপখালি।