1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
  5. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
শিক্ষা মন্ত্রীর একার দায়িত্ব নয়-শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষা কর্মকর্তা-শিক্ষক-অভিভাবদেরও দায়বদ্ধতা আছে - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন: রুশ কূটনীতিকদের ক্রেস্ট ও অভিনন্দনপত্র সুন্দরবনের ” নানা ভাই” বাহিনীর ১২ সদস্যের আত্মসমর্পন, বিপুল অস্ত্র – গোলাবারুদ উদ্ধার সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: নিরাপদ গাজীপুর গড়তে সহযোগিতা কামনা গণসংযোগ মাস উপলক্ষে পটিয়ায় জামায়াতের দাওয়াতি উপকরণ বিতরণ দিনে দুপুরে ডেমরায় সাংবাদিকের বাসার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট রূপগঞ্জে চাকরির প্রলোভনে ১০ যুবককে আটকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ নগরকান্দায় সর্বজনীন মন্দিরের জায়গা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন এক ভবনে নানা রোগের রোগী, বেতাগী হাসপাতালে নিরাপদ চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন জমি বিক্রির টাকা লুটে চলন্ত বাসে খুন: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে উত্তাল মানববন্ধন সোনারগাঁ মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শিক্ষা মন্ত্রীর একার দায়িত্ব নয়-শিক্ষার উন্নয়নে শিক্ষা কর্মকর্তা-শিক্ষক-অভিভাবদেরও দায়বদ্ধতা আছে

reporter মোঃ মতিউর রহমান সরদার
calendar প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ

আমরা কথায়-কথায় বলে থাকি আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই আমাদের ছেলে-মেয়েদেরকে আমরা আরবি শিক্ষা গ্রহণের জন্য মাদ্রাসা-স্কুল-কলেজে লেখা-পড়া করানোর জন্য ভর্তি করে থাকি। তারা যদি সুশিক্ষায়-শিক্ষিত না হতে পারেন,তাহলে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখবেন কি করে! তাই সাধারণসহ ধনী পরিবারের ছেলে-মেয়েদেরকে লেখা-পড়া করানোর ক্ষেত্রে ভর্তি করাতে গিয়ে সাধারণ পরিবারের অভিভাবকদেরকে যে,কি পরিমান কষ্ট করতে হয় তা সাধারণ পরিবার ছাড়া কেউ বুঝবেন না। ধনীদের সমস্যা কি-তাদের কোন অভাব আছে নাকি? অভাবের যন্ত্রণা তারা বুঝবেন নাকি? দেশে সনদ ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসা তো ধনীরাই শিখিয়েছেন। সেই প্রবণতা এখনো চলছে। যার ফলে শিক্ষায় নকলের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধনীদের ছেলে-মেয়েদের চাকরি নিতে কোন সমস্যা হয় না এবং ঘুষও লাগেনা। তাদের নকল সনদ ও শক্তিশালী অভিভাবক থাকলেই চলে এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে ধনী ও সাধারণ পরিবারের মেধা সম্পন্ন ছেলে-মেয়েরাও চাকরি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। সাধারণ পরিবারের মেধা সম্পন্ন ছেলে-মেয়েরা চাকরি পাওয়ার জন্য ঘুরতে-ঘুরতে মরে। সাধারণ পরিবারের ছেলে-মেয়েরা ভর্তি ফি দিতে গিয়ে অনেককে অনেক কষ্ট স্বীকার করতে এবং অনেক কিছু বিক্রি করতে হয়। অনেক পরিবার আছেন যারা ছেলে-মেয়েদেরকে সঠিক মানের লেখা-পড়া করাতে ও মানসম্পন্ন শিক্ষায়-শিক্ষিত করাতে চান এবং নকল শিক্ষা থেকে ছেলে-মেয়েদেরকে দূরেই রাখতে চান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনেকে ব্যর্থ হয়ে যান। কারণ সকলের পক্ষে ভর্তি ফি দেওয়া ও নকলে সমর্থন দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। এদিকে অনেক পরিবারের ছেলে-মেয়েদেরকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা-পড়া করাতে পারেন,তারপরের ধাপ আর পার হতে পারেন না। কোচিং পড়ানো শিক্ষিকদের কালচারে ও নেশায় পরিণত হয়েছে এবং ব্যবসার মানসিকতায় রূপ নিয়েছে। কোচিং এর বিরুদ্ধে সরকার এবং সচেতন নাগরিক আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তাই কোচিং ব্যবসায়ী শিক্ষকরা ভিন্ন কৌশলে কোচিং করাচ্ছেন। সেই কোচিং সেন্টারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন ঐ স্কুলেরই শিক্ষকরা যেই স্কুলের শিক্ষকদের কাছে ছাত্র-ছাত্রীরা লেখা-পড়া করছেন। শিক্ষকদের ভিন্ন কৌশল কি? শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলেন তোমরা কোচিংয়ে গিয়ে লেখা-পড়া না করলে ভালো শিক্ষায়-শিক্ষিত হতে পারবেনা। এরপর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলে দেওয়া হয়,তোমরা কাউকে বলতে পারবেনা-তোমরা যে,প্রাইভেট কোচিং ক্লাস করো। শিক্ষকরা তাদের পছন্দনীয় ও গোপনীয় স্থানে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে যেতে বলেন,কোচিং ক্লাস করার জন্য। শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ঠিকমতো পড়াবে না-সঠিক শিক্ষা দিবেনা। তারা কোচিং পড়ানোর জন্য লেখা-পড়া হাতে রেখে দেয়। সেই কোচিং পড়াণোর জন্য ১৫০০ শত থেকে ২০০০ টাকা মাসিক বেতন আদায় করে থাকেন,তাও আবার ১ তারিখের ভিতরে পরিশোধ করতে হবে। সুতরাং অভিভাবক-ছাত্র-ছাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়েন শিক্ষকদের ভিন্ন কৌশলের কাছে। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলা হয় তোমরা কোচিংয়ে গিয়ে না পড়লে ভালো শিক্ষায়-শিক্ষিত হতে পারবে না। সুতরাং ভালো শিক্ষায়-শিক্ষিত হওয়ার আশায় অভিভাবক-ছাত্র-ছাত্রীরা টাকা দিতে বাধ্য হয়। অনেকের হিসেবে শিক্ষকরা,ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কষ্ট দিয়ে যে,টাকা অর্জন করছেন,বাস্তবে তারা মানুষের অভিশাপ ও পাপ অর্জন করছেন। শিক্ষকদের কথা রক্ষা করতে গিয়ে কোচিং ক্লাসের কথা ছাত্র-ছাত্রীরা বাহিরে প্রকাশ করতেও পারতেছেন না। অভিভাবক-ছাত্র-ছাত্রীদের নিঃশ্বাসের অভিশাপ থাকে উক্ত টাকায়। কি বড় বেকায়দায় পরে আমাদের সন্তানেরা লেখা-পড়া করছেন। আমাদের সেসময়ের শিক্ষকরা-শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন না। তারা ক্লাস শেষেও বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে লেখা-পড়া শিখিয়েছেন এবং পড়া মুখস্ত করে নিয়েছেন। তবে সেসময় কিছু শিক্ষকের বাসা-বাড়িতে গিয়ে ছেলে-মেয়েরা লেখা-পড়া করতেন কিন্তু মাসিক বেতনের টাকার ব্যাপারে কোন বাধ্যবাধকতা ছিল না। আমাদের সেসময়ের শিক্ষকদের কাছে ছাত্র-ছাত্রীদের মান-মর্যাদা ও ইজ্জত নিরাপদ ছিল। সেসময়ের শিক্ষকদের কাছে যেসকল ছেলে-মেয়েরা লেখা-পড়া শিখতেন,তাদেরকে,
অভিভাবক-ছাত্র-ছাত্রীরা যেই পরিমাণ টাকা দিলে,ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কষ্ট হতো না। সেই পরিমাণ টাকা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা দিতেন এবং শিক্ষকরা তাতেই খুশি থাকতেন। চলমান সময়ের শিক্ষকরা যেই পরিমাণ টাকা নেন এবং চাপে রাখেন,তাতে সাধারণ পরিবারের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার আলো থেকে পিছিয়ে পড়বেন। অনেক শিক্ষক ছেলে-মেয়েদের সাথে উগ্রভাবে কথা বলেন এবং ব্যবহার ভালো করেননা। এরফলে ভালো শিক্ষার আলো পাওয়া যায় না। অনেক শিক্ষক আছেন প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে বাঁচালেন ন্যায় কথা বলেন। অনেক ছাত্র-ছাত্রী মন্তব্য করে বলেন স্যারের মাথার তার কি ছিড়ে গেছে। এছাড়াও তিনি যদি দশটি কথা বলেন তার দশটি কথাই অস্পষ্ট এবং ছাত্র-ছাত্রীরা কথার অর্থ বুঝতে পারেন না। কথা বলা শুরু করলে কথা আর থেমে যায় না। তাই শিক্ষকদেরকে হিসেব করে প্রতিটি কথা বলতে হয় এবং কথা যেন গুণগত মানের হয়,আর ছাত্র-ছাত্রীরা যেন কিছু ভালো শিক্ষা পায়। এগুলোর হিসেব করে সকল শিক্ষকদেরকে কথা বল্লে ভালো হয়। শিক্ষকদের কথার অর্থ শিক্ষকরা বুঝলেই চলবে না-ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও বুঝার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে শিক্ষকদের দায়িত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক বেশি। এই বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে আমাদের শিক্ষক সমাজকে। শিক্ষকরা যদি বিভিন্ন উপায়ে অর্থ উপার্জনের চিন্তা মাথায় রেখে রাজকীয় জীবনযাপন করেন-তাহলে মূল দায়িত্ব ও কর্তব্য বাধাগ্রস্ত হবে। শিক্ষকরা যদি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মানব সম্পদে পরিণত করতে পারেন,তবেই শিক্ষকদের জীবন হবে রাজকীয় মানের আসল জীবন। শিক্ষার মানোন্নয়নে ১৯৯২ সালের ২১ শে অক্টোবর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন সাবেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেগম খালেদা জিয়া চিন্তা করেছিলেন যারা কষ্ট করে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখা-পড়া করেছেন বা অষ্টম শ্রেণীতেই আছেন কিন্তু আর লেখা-পড়া করতে পারছেন না। তারা যদি উন্মুক্ত বিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় লেখা-পড়া করে পাস করার সুযোগ নিতে পারেন। তবে তাতেও আমাদের ভবিষ্যৎ উত্তরসূরীরা সুশিক্ষায়-শিক্ষিত হয়ে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবেন। সুতরাং সে অনুযায়ী লেখা-পড়া করার উদ্দেশ্য নিয়ে কষ্টের মাধ্যমেও অনেক ছেলে-মেয়ে ভর্তি ফি দিয়ে ভর্তি হন। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীদেরকে শুক্রবার একদিন সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত পড়ানো হয়। সরকার সকল বই দেন। তবে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে গাউড কিনে নিতে হয়। গাইড সরকার দেয় কিনা তাও ছাত্র-ছাত্রীরা জানেন না। কোন-কোন শিক্ষক গাইড বিক্রি করেন,যা সম্ভবত তার নিজস্ব বানানো গাইড। সে গাইডে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক কিছুই থাকেনা। এ ব্যাপারে স্যারকে জিজ্ঞেস করলে বলা হয়-আমার কোচিং সেন্টারে আসবে সবকিছু আমি শিখিয়ে দিবো। সেখানে আবার মাসিক বেতন দিতে হবে ১৫০০/২০০০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে কোচিং সেন্টারে গিয়ে লেখা-পড়া করা সকলের ভাগ্যে হয় না। শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনেক গাফিলতি রয়েছে। কিছু ভালো শিক্ষক থাকতেই পারে কিন্তু তারা যথাযথভাবে শিক্ষা দিতে পারেনা। শিক্ষা নিয়ে যারা ব্যবসা করে তাদের সাথে এরা পেরে উঠতে পারেন না। শিক্ষকদের নেশা থাকবে শিক্ষার উন্নয়নের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মানবসম্পদে পরিণত করার নেশা। টাকা অর্জন করা যদি শিক্ষকদের নেশায় পরিণত হয়,তাহলে ভালো শিক্ষিত ছাত্র-ছাত্রী গড়ে ওঠার পথে বড় ধরনের বাধা হবে। সকল জেলায় রয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের দায়িত্ব হল শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে স্কুল-কলেজে আসা-যাওয়া করেন কিনা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেন কিনা সে ব্যাপারে খোঁজ খবর রাখা। সে কাজগুলো ঠিকমত করা হয় কিনা তাতে জাতির সন্দেহ রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা এবং শিক্ষকরা বেতনসহ ইত্যাদি সুবিধা পেয়ে থাকেন জাতির টাকায়। ভালো ছাত্র-ছাত্রী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রীর একার দায়িত্ব নয়। শিক্ষার উন্নয়নে দায়িত্ব রয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তা-শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও। শিক্ষকরা সরকারের কাছে বিভিন্ন প্রকারের দাবি-দাওয়া করেন এবং দাবি আদায় করেও থাকেন। প্রশ্ন হল সেই টাকার হালাল আদায় করে আমাদেরকে শিক্ষকরা কি দিতে পারেন? হুজুর এবং শিক্ষকদের প্রতি জাতি তাদের কর্মকান্ডের জন্য ক্ষিপ্ত। সুতরাং কি কারনে জাতি ক্ষিপ্ত সেই বিষয়গুলি পর্যালোচনা করে তাদেরকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। যারা অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত-তাদেরকে নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব যারা নীতি ও আদর্শগত শিক্ষক তাদের। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক কোচিং ব্যবসা করতে পারবেন না। কোচিং ব্যবসা তারাই করুক যারা পেশাদারিত্বের আলোকে দীর্ঘদিনযাবত কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শিক্ষা দিয়ে আসছেন। তবে কোন শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোচিং সেন্টারের ভর্তি ফি এবং মাসিক বেতন কি পরিমাণ হওয়া উচিত সেগুলো নিয়মের ভিতরে নিয়ে আসা উচিত। তাহলে শিক্ষার মান আরো উন্নয়ন হবে এবং অনেকে পড়ার সুযোগ পাবেন। শিক্ষা কর্মকর্তা যারা রয়েছেন তাদেরকে এ ব্যাপারে খোঁজখবর রাখা উচিত এবং জাতির টাকায় পাওয়া বেতনের হক কিভাবে আদায় করা যায় সে বিষয় তাদেরকে ভাবতে হবে এবং বিবেককে কাজে লাগাতে হবে। বিশ্বাস করতেই হবে শিক্ষার উন্নয়নে কোন শিক্ষা মন্ত্রী এককভাবে নকলমুক্ত এবং সুশিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। এজন্য দেশের শিক্ষা কর্মকর্তা এবং নীতি ও আদর্শবান শিক্ষকের পাশাপাশি সচেতন অভিভাবকদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের হুজুর এবং শিক্ষকদেরকে বুঝতে হবে তাদের মর্যাদা এবং ওজন কত ভারী। মানুষ আগে হুজুরদেরকে খুব ভক্তি এবং বিশ্বাস করতেন আর তাদের জায়গা নিরাপদ মনে করতেন। সেসময়ের হুজুরদের প্রতি সেই ভক্তি এবং এখনকার হুজুরদের প্রতি ভক্তি-সম্মান-শ্রদ্ধা সেই আগের মত আছে কিনা! এ বিষয়গুলো আমাদের হুজুরদেরকে ভাবতে হবে। মানুষ গড়ার কারিগরখ্যাত শিক্ষকদেরকে আগের মত ভক্তি-শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করেন কিনা সে বিষয়গুলোও শিক্ষকদেরকে চিন্তা করার সময় এসেছে। আমাদের ভবিষ্যৎ উত্তরসুরীরা যাতে করে যথাযথ শিক্ষায়-শিক্ষিত হয়ে আগামী দিনে দেশ ও জাতি গঠনের লক্ষ্যে সুযোগ নিতে পারেন,সেই লক্ষ্যে আমাদের হুজুর ও শিক্ষকদেরকে সঠিক মানের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হবে । সর্বোপরি আমাদের হুজুর এবং শিক্ষকদেরকে মনে রাখতে হবে যে,শিক্ষা-জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক-বিবেচনা মৃত্যুর পরে কবরে নিয়ে যাওয়া যাবেনা। পৃথিবীতে মানুষের প্রয়োজনে দান করেছিলেন। সুতরাং মানুষের প্রয়োজনে পৃথিবীতে বিলিয়ে দিয়ে যেতে হবে। এর ফলে হুজুর এবং শিক্ষকদের জীবন ইহকাল এবং পরকালে সার্থক হবে। আশা করি শিক্ষা কর্মকর্তা-শিক্ষক এবং অভিভাবক এ বিষয়গুলির প্রতি গুরুত্ব দিবেন।

লেখক-সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com