ময়মনসিংহ রেঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা নেত্রকোনার পুর্বধলা। একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা এটি। এই এলাকার আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল করা পুলিশের জন্য সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জকে সাহসিকতার সাথে মোকাবিলা করে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন
ওসি আব্দুলাহ আল মামুন। ইতি পুর্বেও তিনি রেঞ্জ এলাকার তারাকান্দা ও ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সুনামের সাথে চাকুরী করেছেন। তবে পুর্বধলা থানা এলাকায় মাদক,ছিনতাই, চুরি ডাকাতি, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ সন্ত্রাস নির্মুল করে পুর্বধলার মানুষের জন্য থানা এলাকাকে একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল উপহার দিতে গিয়ে ইতিমধ্যেই তিনি অপরাধীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠায় তাকে সড়িয়ে দিতে শুরু হয়েছে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র। তার সুনাম ক্ষুন্ন করতে কিছু অখ্যাত পত্রিকায় ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশেও মরিয়া হয়ে লেগেছে অপরাধীরা। ওসির সাফ কথা অপরাধী যতবড় শক্তিশালীই হউক যতই ষড়যন্ত্র হউক,ছাড় দেওয়া হবে না কোন অপরাধীকে।
পুর্বধলায় তিনি যোগদানের পর থেকেই মাদক সিন্ডিকেট ভাঙা এবং কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তার চৌকস নেতৃত্ব এবং মানবিক গুণাবলির কারণে আজ তিনি শুধু সহকর্মীদের কাছেই নয়, বরং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ জনগণের কাছেও এক অতি পরিচিত ও প্রিয় নাম। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ আব্দুলাহ আল মামুন থানায় যোগদানের পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে হলে মাদকের মূল উপড়ে ফেলা জরুরি। তার নির্দেশনায় গত কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে এবং তালিকাভুক্ত বহু মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তার এই কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীরা এখন কোণঠাসা। সহকর্মীদের কাছে আস্থার বাতিঘর একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) এবং এএসআই (অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর) সহ সকল পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ডিউটি বণ্টন থেকে শুরু করে মামলার তদন্ত—প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি সহকর্মীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা জানান, ওসি আব্দুলাহ আল মামুন স্যারের অধীনে কাজ করা মানেই নতুন কিছু শেখা। বিপদে-আপদে তিনি সবসময় ছায়ার মতো সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ান, যার ফলে পুর্বধলা থানার পুলিশ ফোর্স এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জীবিত। থানায় কর্মরত অফিসাররা জানায়-”স্যার আমাদের শুধু বস নন, একজন বড় ভাইয়ের মতো আগলে রাখেন। যেকোনো জটিল অপারেশনে তার সাহসিকতা আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।
রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা ওসি আব্দুলাহ আল মামুন এর
ওপর গভীর আস্থা পোষণ করেন। দল-মতনির্বিশেষে তিনি সকলের কথা শোনেন এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মনে করেন, একজন সৎ ও কর্মঠ পুলিশ অফিসারের কারণে পুর্বধলা এলাকার অপরাধ হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তার দক্ষতায় জটিল ও ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনেও বিশেষ খ্যাতি রয়েছে বলে জানা গেছে।
মানবিক পুলিশিং: সাধারণ মানুষ থানায় এসে যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটি তিনি নিজে তদারকি করেন। দ্রুত সেবা: যেকোনো অভিযোগ পাওয়ামাত্রই তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ভবিষ্যৎ লক্ষ্য
ওসি আব্দুলাহ আল মামুন এর মূল লক্ষ্য হলো পুর্বধলা থানাকে একটি সম্পূর্ণ ‘মাদকমুক্ত ও নিরাপদ’ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি মনে করেন, পুলিশের একার পক্ষে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সহযোগিতা। তাই তিনি কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশ ও নেত্রকোনা জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ওসি আব্দুলাহ আল মামুনের কর্মদক্ষতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার এই নিরলস পরিশ্রম পুর্বধলা থানার সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
একজন পুলিশ অফিসার যখন তার পেশাদারিত্বের সাথে দেশপ্রেম আর মানবিকতার সমন্বয় ঘটান, তখন তিনি ওসি আব্দুলাহ আল মামুনের মতো জনগণের আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠেন। নেত্রকোনা জেলা পুলিশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি রক্ষায় তার মতো অফিসারের অবদান অনস্বীকার্য বলে মনে করছেন নেত্রকোনার আইন বিশ্লেষকরা।