চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ ‘স্বাধীনতা’তে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোনিয়া শফি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রুমন তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুনুল হক মামুন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ এবং বোয়ালখালী পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম এস এম মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া সভায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শওকত আলম, উপজেলা বিএনপি নেতা হাজী মো. ইসহাক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল হক মান্নান ও নুরুল করিম, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম মোদাচ্ছের, প্যানেল চেয়ারম্যান হাসান চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নজরদারি জোরদার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, কিশোর গ্যাং ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ, অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং বিভিন্ন ফেক আইডির মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া শাকপুরা চৌমুহনী বাজার, গোমদণ্ডী-ফুলতল, পৌরসভা সদর ও কানুনগোপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।সভায় বোয়ালখালীতে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। জনদুর্ভোগ কমাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।