আব্দুল কাদের চৌধুরী,ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:
একটি দেশ সমৃদ্ধ হওয়ার পেছনে শিক্ষা,সংস্কৃতি ও যুব সমাজের অবদান অপরিসীম। কিন্তু এই তিনটি সেক্টর যখন মারাত্নকভাবে হুমকীর সম্মূখীন হয় তখন সে দেশ রসাতলে যেতে বেশী সময় লাগেনা। আমাদের এ বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর হতে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলো। বাঙালী সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ এ দেশে হঠাৎ করে নানা মাধ্যমে পাশ্চাত্য ও নোংরা সংস্কৃতি ঢুকে পড়ে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে কয়েকটি মাথ্যম রয়েছে টিকটক হলো সবচেয়ে কার্যকর এবং সবচেয়ে ভয়ংকর। টিকটকের মত আরো কিছু সাইট রয়েছে যেমন লাইকি ইত্যাদি। কিন্তু বর্তমানে যুবসমাজের নিকট একটি জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত সাইট যেখানে অনায়াসে একাউন্ট খোলা যায় ও নিজের ইচ্ছেমত ভিডিও আপলোড করা যায়। ভাইরাল হওয়ার নেশায় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি হতে শুরু করে বেশিরভাগ নারীদের দেহ প্রদর্শনের ঘটনাও হরহামেশা ঘটছে। এ সাইটটি তে পরিবারের জোয়ান থেকে বুড়ো, শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী, ডাক্তারসহ বিভিন্ন পেশাজীবি হতে শুরু করে এমনকি আলেম সমাজের অনেকে এ টিকটকের নেশায় মত্ত হয়ে পড়েছে। যুক্তরাস্ট্র, কানাডা,ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী দেশ ভারত এই অ্যাপসটি নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও অত্যন্ত দু:খের বিষয় বাংলাদেশে এ অ্যাপসটি বন্ধের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতীরা এমনকি শিশুরাও এ টিকটকে ভাইরাল হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকটকের বিরুপ প্রভাব পড়ছে শিক্ষাক্ষেত্রে,ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কারন এ টিকটকে বেশিরভাগই অশালীন দেহভঙ্গি,কটু কথা ও নোংরামী ছড়ানোর চেষ্টা চালানো হয়। সচেতন অভিবাবক এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকদের দাবী হলো অতিসত্তর বাংলাদেশে এ টিকটকসহ সমাজ বিধ্বংসী অ্যাপস গুলো নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হোক যাতে করে দেশ,জাতি ও সংস্কৃতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।