1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
নরসিংদীর হাজিপুরে জামে মসজিদের ১০ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ, দলিল ঘিরে চাঞ্চল্য - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ফতুল্লায় গাড়ির এসি চোর চঞ্চল-জিহাদ আটক, ছাড়াতে থানায় এনসিপি নেতার তদ্বির বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. হাবিবুর রহমান শওকত’র ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর ওপর হাতুড়ি হামলা: গ্রেপ্তার ২ গাজীপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে কর্মশালা: রিপোর্টিংয়ে পেশাদারিত্ব-নৈতিকতা বজায় রাখার তাগিদ দক্ষিণ সুরমায় ইমামদের জন্য স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা হবে: এমপি এমএ মালিক নরসিংদীর হাজিপুরে জামে মসজিদের ১০ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ, দলিল ঘিরে চাঞ্চল্য ‎পরিদর্শনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএনপি নেতা শাকিলের উদ্যোগে সমস্যার সমাধান শুরু দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর মানবিক ছোঁয়া দোছড়ির কৃষিপণ্যে ‘দ্বৈত ট্যাক্স’ আদায়ের অভিযোগ: ক্ষোভে ফুঁসছেন কৃষকরা, হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

নরসিংদীর হাজিপুরে জামে মসজিদের ১০ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ, দলিল ঘিরে চাঞ্চল্য

reporter আর এ লায়ন সরকার, নরসিংদী
calendar প্রকাশিত: ২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ

নরসিংদীর হাজিপুরের বাদুয়ারচর এলাকার একটি জামে মসজিদের ওয়াকফকৃত ১০ শতাংশ জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মসজিদের সাবেক সেক্রেটারি মাসুদুল হক মাস্টার ও তার ছেলে সোহেলের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তি হিসেবে ওয়াকফ দলিল, পরবর্তী দলিল এবং স্থানীয়দের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর আব্দুর রহিমের স্ত্রী বেগম নেছা বাদুয়ারচর গ্রামের রেললাইনের পাশের জামে মসজিদের নামে ৬ শতাংশ জমি ওয়াকফ করেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দলিল অনুযায়ী মোট ১০ শতাংশ জমি মসজিদের জন্য নির্ধারিত হয়। ওয়াকফনামা নং-২০০ এবং দলিল নং-১৩৪০৪ অনুযায়ী বাদুয়ারচর মৌজার সংশ্লিষ্ট দাগভুক্ত জমি মসজিদের নামে নিবন্ধিত হয়। সে সময় মসজিদের সেক্রেটারির দায়িত্বে ছিলেন মাসুদুল হক মাস্টার।

অভিযোগে বলা হয়, সেক্রেটারির দায়িত্বে থাকাকালীন মাসুদুল হক মাস্টার ওই ওয়াকফকৃত জমিকে নিজের সম্পত্তি হিসেবে দাবি করে পরবর্তীতে দলিলের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিজেকে প্রথম পক্ষ দেখিয়ে এবং আফিয়া বেগমকে মালিক হিসেবে উপস্থাপন করে দলিল নং-২০১৩১ মূলে নরসিংদীর আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির কাছে ১২ লাখ ২৫ হাজার টাকায় জমিটি বিক্রি করেন, যা অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী ওয়াকফ সম্পত্তি সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী।

এ বিষয়ে মসজিদের বড় ইমাম মাওলানা আসাদুল্লাহ বলেন, “এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। সেখানে মাসুদুল হক মাস্টার ও তার ছেলে সোহেল মসজিদকে ৬ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দিয়েছেন। তবে বাকি ৪ শতাংশ জমি এখনো তাদের বাড়ির ভেতরে রয়েছে, যা এখনো মসজিদ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।”

মাসুদুল হক মাস্টারের আপন ভাই জাহিদও অভিযোগের বিষয়ে বলেন, “ঘটনাটি সত্য।”অভিযোগে আরও বলা হয়, সোহেল আমিনের দায়িত্বে থাকাকালীন দলিলের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে কৌশলে মসজিদের জমি নিজেদের নামে নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাসুদুল হক মাস্টার ও তার ছেলে সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি যথাযথভাবে মসজিদের নামে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com