1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
বন্যার পানিতে রান্নার জায়গা নেই, চরের মানুষের দুর্ভোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ঘনিষ্ঠ সহচর মরহুম মোল্লা আফতাব আহমেদের ৫৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পটুয়াখালীতে এলএ শাখার প্রধান সহকারী খালিদ হোসাইন এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ৩০% কমিশন দাবি, চেক উত্তোলনের অভিযোগ ফুলবাড়ীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির ফেনীতে আল হাতিম হজ্জ কাফেলার ওমরাহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও দোয়া  গোয়াইনঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুর! ছাতকে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ, ৭ জনের বিরুদ্ধে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড গর্জনিয়ায় গোলাম মাওলার অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণে শায়লা, নারী-পুরুষের মিছিলে জনসমুদ্রে মতবিনিময় সভা ফুলবাড়ীতে পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল ভোলার মেঘনা নদীর তীর ধসে নিখোঁজ রাকিবের লাশ উদ্ধার

বন্যার পানিতে রান্নার জায়গা নেই, চরের মানুষের দুর্ভোগ

reporter বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি ও নদীভাঙনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। ঘরে খাবার থাকলেও রান্না করার জায়গা নেই। চারদিকে পানি থাকায় রান্না ও খাবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি পরিবারগুলো।  গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে কালিদাসখালী চরে গিয়ে দেখা যায়, ৭৫ বছর বয়সী আকলিমা বেগম ঘরের বাইরে পানির মধ্যে রাখা একটি চকির ওপর দুপুরের খাবার রান্নার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘরে খাবার থাকলেও রান্না করার মতো কোনো জায়গা না থাকায় পানির মধ্যেই এভাবে রান্নার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে তাকে।
আকলিমা বেগম কালিদাসখালী চরের বাসিন্দা। তার মতো চরের অনেক পরিবারই রান্না করার জায়গা না পেয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই খাবার রান্না করতে না পেরে না খেয়েও দিন পার করছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের চকরাজাপুর, কালিদাসখালী, লক্ষ্মীনগর, দাদপুর, নিচ পলাশি, পলাশি ফতেপুর, আতারপাড়া, চৌমাদিয়া, দিয়ারকাদিরপুরসহ ১৫টি চরে প্রায় ১ হাজার ২০০ পরিবার ও ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।এদিকে পদ্মার ভাঙনে পলাশি ফতেপুর, চৌমাদিয়া ও আতারপাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব এলাকার অনেক মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।
আতারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “পদ্মা ভাঙতে ভাঙতে শেষ পর্যন্ত স্কুলটি নদীগর্ভে চলে গেল। পদ্মার চরের মধ্যে আজ স্কুল ভালো দেখে গেলাম, কাল এসে দেখতে হয় স্কুল নেই। শেষ পর্যন্ত স্কুল স্থানান্তর করতে করতে বিলীন হয়ে গেল। এ বিদ্যালয়ে ৮৫ জন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক রয়েছেন।”
চৌমাদিয়া চরের বাসিন্দা সোলেমান মোল্লা বলেন, পদ্মায় ক্রমাগত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মানুষ। এছাড়া ১৫টি চরের মানুষ নদীভাঙনের কবলে পড়েছেন।
চৌমাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা বলেন, “বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো পরিস্থিতি নেই। তাই পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ বিদ্যালয়ে ৯১ জন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক রয়েছেন।”
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, নদীভাঙন ও বন্যার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com