টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার, গুজব রটানো ও ছাত্রদল নেতার উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির কৃষক সমিতির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বকর ছিদ্দিকি (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। সে উপজেলার বেকড়া গ্রামের মো. সোহরাব হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির কৃষক সমিতির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বকর ছিদ্দিকি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটায় এবং উস্কানিমূলক অপপ্রচার করে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করতে রোববার সাড়ে ১২টার দিকে কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বকর ছিদ্দিকি তার অনুসারীদের নিয়ে নাগরপুর সরকারী কলেজ ক্যাম্পাসের কাঠ বাগানে অবস্থান নেয়। খবর পেয়ে ছাত্রদল কলেজ শাখার আহবায়ক মো. আশরাফুল ইসলাম আসলামসহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আবু বকরকে মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত ও বিশৃঙ্খলা না করার জন্য অনুরোধ করে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। পরে আবু বকরের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। এতে ছাত্রদল কলেজ শাখার আহবায়ক মো. আশরাফুল ইসলাম আসলামসহ তিনজন আহত হয়। এঘটনায় আবু বকরকে প্রধান আসামী করে নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুজব রটানো ও মারামারির ঘটনায় নাগরপুর থানায় নিয়মিত মামলা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে আবু বকর সিদ্দিকিকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টি (সিপিবি) নাগরপুর শাখার সভাপতি খোরশেদুন নাহার ভূইয়ার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বকর সিদ্দিকি ফেইস বুকে একটি পোষ্ট করেন। এই ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে মিমাংশা করা যেতো। ঘটনাটি এতোদুর গড়াবে এটা আমারা প্রত্যশা করিনি।