সায়েদা বেগম, মৌলভীবাজার : মা-বাবার পরে আমাদের শিক্ষাগুরু ও পথপ্রদর্শক হলেন স্কুল কলেজ প্রাইভেট পড়তে যাওয়া শিক্ষকেরা। একজন ছাত্র হিসেবে শিক্ষকদের সম্মান করাটা, নৈতিক শিক্ষার মধ্যে পরে। শিক্ষক হলেই যে আবার তিনি ফেরেশতা তাও নন। তিনিও মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল। শিক্ষকের পক্ষে অন্যায়, দুর্নীতি, বা অশালীন কাজ সম্ভব এটা সবার কাছেই দৃশ্যমান। যদিও ছাত্রদের ভালো মানুষ হওয়ার মন্ত্র দেন সবসময়।।
এই যে সারা দেশে দুর্নিতীবাজ ও চরিত্রহীন শিক্ষকদের পদত্যাগের জন্য ছাত্ররা শিক্ষকের উপর হাত তুলছে, এটা অবশ্যই অনৈতিক কর্মকান্ড। এটা মাথায় রাখা উচিত, একজন শিক্ষাদাতা একদিনের জন্য হলেও আমাদের শিক্ষক। সরাসরি শিক্ষকের গায়ে হাত না তুলে, তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমান ও সাক্ষীসহ থানায়, ইউওনো, ডিসি অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ করা যায়।
যেহেতু ছাত্ররা অভিযোগ করবে, অবশ্যই সেটা আইনের মাধ্যমে তাড়াতাড়ি উপযুক্ত ব্যাবস্থা নিবেন তারা। শিক্ষকের গায়ে হাত তুলা, বর্বরতার পরিচয়। পরিবারে বাবা মা কোনো এক ভুল করলে অবশ্যই আমরা গায়ে হাত তুলিনা। অনুগ্রহ করে এই অপরাধ থেকে বিরত থাকা উচিত।