দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন তৃণমূল পর্যায়ে একটি পরিচিত মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, ধারাবাহিক রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি এলাকায় একটি শক্তিশালী সমর্থনভিত্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনে আকতার হোসেন একাধিকবার কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করেছেন। এছাড়া দুইবার পাতিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, প্রতিটি নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ব্যাপক সাড়া তাঁর জনপ্রিয়তার প্রতিফলন।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আকতার হোসেন শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন। সাধারণ মানুষের সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত গণসংযোগ বজায় রাখার কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন সহজপ্রাপ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন বলে তাঁদের মত।
সমর্থকদের মতে, দলকে আরও শক্তিশালী করা, নতুন প্রজন্মকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করাই তাঁর অগ্রাধিকার। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি জনগণের আস্থা ও সমর্থন নিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দিক থেকে আকতার হোসেনের ধারাবাহিক সাংগঠনিক কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে বলে মত প্রকাশ করেন অনেকে।
তবে তাঁর জনপ্রিয়তা, জনসমর্থন এবং রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত মূল্যায়ন শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায় ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।