কক্সবাজারের তারাবানিয়ার ছড়া থেকে টেকনাফের হোয়াইক্যং পর্যন্ত এক ব্যক্তির আকস্মিক সম্পদ বৃদ্ধি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সাইদ হোসাইন নামের এক ব্যক্তির সম্পদের উৎস এবং তার বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ছাত্রজীবনে সাধারণ জীবনযাপন করলেও বর্তমানে সাইদ হোসাইন বিলাসবহুল বাড়ি, দামি গাড়ি এবং উল্লেখযোগ্য সম্পদের মালিক হয়েছেন। তারাবানিয়ার ছড়ায় বহুতল ভবন এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং কুতুবদিয়া পাড়ায় আলিশান বাড়ি নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সাইদের বিরুদ্ধে অতীতে মাদক-সংক্রান্ত একাধিক মামলা হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তবে এসব মামলার বর্তমান অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাইদ এককভাবে নয়, বরং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন। এ চক্রে আরিফ ও মোরশেদ নামে দুই ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে সাইদ হোসাইন, আরিফ ও মোরশেদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সম্পদের উৎস, আয়কর সংক্রান্ত তথ্য এবং সম্ভাব্য মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, আকস্মিক সম্পদ বৃদ্ধির উৎস, অর্থের লেনদেন এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত তথ্য জনসমক্ষে আসে।