জামালপুর সদর উপজেলার ৬ নং নরুন্দি ইউনিয়নের দক্ষিণাংশে পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথে কৃত্রিম বাধা বা অবৈধ বাঁধ সৃষ্টি করায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। এর ফলে ইউনিয়নের নলকুড়ি, কোচনধরা, দাপেনশ্বর, ব্রহ্মোত্তর ও আড়ালিয়া —এই ৫ গ্রামের শত শত একর আবাদি জমি স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। সঠিক সময়ে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় চলতি মৌসুমে বিপুল পরিমাণ জমিতে ফসল ফলানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় শত শত কৃষক।
স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, এলাকার কিছু অসাধু লোক ও প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজস্ব স্বার্থে কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে বর্ষার পানি কিংবা বৃষ্টির পানি কোনোভাবেই নেমে যেতে পারছে না। জলাবদ্ধতার কারণে জমিগুলোতে চাষবাসের কোনো সুযোগ থাকছে না।
কৃষকরা জানান, নলকুড়ি, কোচনধরা, দাপনাশ্বর, ব্রহ্মোত্তর ও আড়ালিয়া এলাকার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। কিন্তু পানি আটকে থাকায় শত শত একর জমি এখন পুরোপুরি চাষের অযোগ্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে কৃষক পরিবারগুলোতে তীব্র খাদ্য ও আর্থিক সংকটের মেঘ ঘনিয়ে আসছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এক কৃষক বলেন, —পানি যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হইছে। আমরা কপাল চাপড়াচ্ছি, জমিতে পানি জমে থাকায় কোনো আবাদ করতে পারতেছি না। এ অন্যায়ের বিচার চাই এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা চাই।
এলাকাবাসীর দাবি, কৃষকদের এই অপূরণীয় ক্ষতি থেকে বাঁচাতে এবং শত শত একর ফসলি জমি রক্ষা করতে স্থানীয় প্রশাসনের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। দ্রুত সরজমিনে তদন্ত করে অবৈধ বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা অপসারণের মাধ্যমে পানি�