1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী এখন বালু লুটকারীদের দখলে, বেড়ীবাঁধের ২০ স্থানে ভাঙ্গন, আতংকে ৩০ গ্রাম সিংগাইরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ‎জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে মাদারীপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের গণমিছিল যানজটের নগরী থেকে স্বস্তির পথে নারায়ণগঞ্জ সেপ্টেম্বরে খুলছে পঞ্চবটি-মুক্তারপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ডিসেম্বরে শেষ হবে পুরো প্রকল্প তাঁতশিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে—বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম ময়মনসিংহে গ্রাম আদালত কার্যক্রম পর্যালোচনা ও স্থায়ীত্বশীলকরণ পরিকল্পনা বিষয়ক সভা বকশীগঞ্জে পানি নিষ্কাশনের অভাবে ৫ হাজার একর জমি পানির নিচে: সরেজমিনে বিএনপি নেতা শাকিল হালুয়াঘাটে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুঃস্থদের মাঝে ঢেউটিন এবং আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ বগুড়ার কাহালুতে ট্রাক-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা

reporter সাব্বির আলম বাবু,
calendar প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ

মহিষ ডাকাতির প্রকোপে উদ্বিগ্ন ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা। রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান। তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।
মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?
খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র। ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।
সাব্বির আলম বাবু

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com