কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলার বাতিসা ও চৌদ্দগ্রাম মাধ্যমিক পাইলট বালিকা বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তিরা হলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার বৈদ্দেরখীল গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে মোটরসাইকেলচালক আবদুর রহমান (২২) এবং পৌরসভার চাটিতলা এলাকার বাসিন্দা আবুল হাশেম (৭০)।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাতিসা গোবিন্দ মানিক্য দিঘির দক্ষিণ পাড় এলাকায় ঢাকামুখী একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি ট্রলিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক আবদুর রহমান গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ট্রলিচালক আবদুস সোবহানও আহত হন। তিনি বসন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে সকালে চৌদ্দগ্রাম মাধ্যমিক পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেন পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ির ধাক্কায় পথচারী আবুল হাশেম নিহত হন। তিনি ঘোলপাশা ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে বিয়ে করে দীর্ঘদিন ধরে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার চাটিতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আল রায়হান পাটোয়ারী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন পৃথক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত ও একজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিহত দুজনের মরদেহ মিয়াবাজার হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।