1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ১দফা আন্দোলন। - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
কোম্পানীগঞ্জে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বার্ষিক কাউন্সিল বগুড়ায় যুবককে অপহরণ সদৃশ ভাবে তুলে নিয়ে মারধর,  এনসিপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা অবৈধ সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছিল ২৭ বিসিএস ব্যাচ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৃণমূলে জনসম্পৃক্ততার আলোচনায় আকতার হোসেন হাঁটুর পেছনেই মিলল ৪০০ ইয়াবার চালান! বিরলের বুনিয়াদপুর সিনিয়র (আলিম) মাদরাসা এর নবনির্মিত ৪ তলা ভবনের শুভ উদ্বোধন বিরলে সাবেক স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়ে নারীর মৃত্যু, ঘাতক আটক রাস্তার সংস্কার কাজ উদ্বোধনের পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই সংসদ সদস্যের নামফলক উধাও, কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন ভাঙ্গুড়ায় বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রথম উপজেলা ডে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত মোহনপুরে ২৬৩ কৃষকের কাছ থেকে ৭৮৫ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ

কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ১দফা আন্দোলন।

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ১০ জুলাই, ২০২৪, ৭:০৩ অপরাহ্ণ

মোঃ আশিকুর রহমান রানা, লেট প্রতিনিধি : সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষাম্যেমুলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পুন্ন (প্রতিবন্ধীদের)অন্য কোটাকে নূন্যতম পর্যায়ে এনে সংসদে পাস করতে হবে দাবিতে। সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এর সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ১০ জুলাই বুধবার, সকাল ১১টায় সিলেট সুনামগঞ্জ বাইপাস মেইন রোড অবরুদ্ধ করে দীর্গ্র ৬ ঘন্টা অবস্থান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে আজকের কর্মসূচী সমাপ্তি হয়। বিকাল ৫ টা ৩০মিঃ প্রযন্ত। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেদিয়ে আগামী কাল সকাল ১০ টায় সিলেট গোল চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।

শিক্ষার্থীদের দাবী: সরকারী চাকরীতে সমস্ত কোটা প্রথা বাতিল করতে হবে। বৈষম্য নয় মেধার ভিত্তিতে চাকরী দিতে হবে।

উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন আমাদের সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অংশগ্রহণকালে ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন কিনা জানিনা। দেশ স্বাধীন করার পর স্বাভাবিক নাগরিক সুবিধা ব্যতিরেকে বাড়তি কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন, এমনটি কোথাও পাই নি আমরা। এমনকি জীবিত আছেন এমন হাতেগোনা মুক্তিযোদ্ধারাও বাড়তি সুবিধা দাবি করছেন, এমন কিছু শুনছিও না আমরা। আমরা ইতিহাস পড়ে, জেনে, শুনে এতটুকু নিশ্চিত যে, এ ভূ-খন্ডের উপর ততৎকালীন পাকিস্তান সরকারের করা নানান সীমাহীন বৈষম্য আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওনারা যুদ্ধে গিয়েছেন, জীবনবাজি রেখে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আমরা তাদের সম্মান করি, তাদের যেকোনো সময়ের অসচ্ছলতা, অসুস্থতা, দুর্বলতার প্রেক্ষিতে সহযোগিতার হাত বাড়াতে চাই, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার তাদেরকে ও তাদের পরিবারের পাশে থেকেছে, বিপদে-আপদে সহযোগিতা করছে। বর্তমান সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধ ভাতা আরও সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। চিকিৎসা সহ জীবনধারণের প্রয়োজনে বাড়তি আরও সুবিধা সংযুক্ত হয়েছে।
এমতাবস্থায়, চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা কিসের প্রেক্ষিতে, কোন স্বার্থে? এখন না মুক্তিযোদ্ধারা চাকরির প্রতিযোগিতায় নামবে, না তার ছেলেমেয়েরা চাকরিতে প্রতিযোগিতা করবে? ৩য় প্রজন্ম তথা নাতি-পুতিদের জন্য কোটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ নাম দেওয়া কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানজনক দেখায়? এটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ বলে মুক্তিযোদ্ধাদের করুণা/দীন-দক্ষিণার পাত্র না করে কষ্ট করে ‘নাতি-পুতি কোটা’ নামে প্রচার করুন। এতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধারা অসম্মানের হাত থেকে রেহাই পাবে অন্তত।
এই অস্বাভাবিক কোটা ব্যবস্থা কত প্রজন্ম পর্যন্ত, কত বছর পর্যন্ত চলবে? এই কোটা কি এখন বৈষম্যের পর্যায়ে চলে যায়নি? এই কোটা ব্যবস্থার আড়ালে কি এখন অযোগ্য, অথর্বরা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে না?

আমরা সিলেটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবসময় বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। ১৮ তে আমরা ছিলাম ২৪ সালে ও আমরা রাজপথে আছি ইনশাআল্লাহ এই দেশে সরকারী চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের বাপ দাদার কোটায় চাকরী নয় তারা যেনো মেধার ভিত্তিতে চাকরী পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com