কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার ছোট ছয়সূতি ও উত্তর মাইজপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।আটক জাহাঙ্গীর হোসেন (৩০) উপজেলার পূর্ব তারাকান্দি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। ছোট ছয়সূতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এক পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, উত্তর মাইজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইফুল (৪৫) নামে অপর এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত আমির উদ্দিন খানের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর আটক দুজনের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং সাইফুলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াছিন খন্দকার বলেন, “মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভৈরব সার্কেল কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুলিয়ারচরের দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুজনকে আটক করা হয়। সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে তথ্য যাচাই করে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। কুলিয়ারচরে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”