1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
এক রাতেই সর্বস্বান্ত তিন পরিবার, আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি ও সঞ্চয় - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মানিকগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি হরিপুরে ৪২ বিজিবি কর্তৃক মদ আটক সৈয়দপুর উপজেলা যুবদলের সিঃ যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন সানারুল ইসলাম মিশন মোড়ের আবাসিক হোটেল ঘিরে গুরুতর অভিযোগ, গোপন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইলের দাবি হরিপুর উপজেলায় ৪২ বিজিবি কর্তৃক মাদক জব্দ দিনাজপুর ৪২ বিজিবি র বর্ডার এলাকায় (বিজিবি- র‌্যাব) যৌথ অভিযানে হরিপুর আসামীসহ বিপুল পরিমাণ ফ্রেন্সিডিল গ্রেপ্তার হরিপুর কাঁঠালডাঙ্গীর বিওপি র বিজিবি কর্তৃক আসামীসহ (ফেন্সিডিল গ্রেপ্তার আগৈলঝাড়ায় ইয়ং স্টারের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে পুকুরে বিলীন প্রধান সড়ক, চরম ঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি

এক রাতেই সর্বস্বান্ত তিন পরিবার, আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি ও সঞ্চয়

reporter মাহাবুর রহমান ,বাঘা প্রতিনিধি
calendar প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা পশ্চিমপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের ঘরবাড়ি ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নূরুল হক নূরুর বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাতটি সেমিপাকা টিনশেড ঘরের কক্ষ, তিনটি গোয়ালঘর ও তিনটি রান্নাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—নূরুল হক নূরু এবং তাঁর তিন ছেলে ইমদাদুল হক, শরিফুল হক ও সাজেদুল হক। তাঁরা একই বাড়িতে বসবাস করেন এবং পৃথকভাবে ব্যবসা ও গবাদিপশু পালন করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, নূরুল হক নূরুর গোয়ালঘরে জ্বালানো কয়েল থেকে অসাবধানতাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে আগুন দেখতে পান বড় ছেলে ইমদাদুল হকের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন। তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বাঘা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, আগুনের তাপে একটি ফ্রিজের কম্প্রেসার ও ঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ইমদাদুল হক জানান, তাঁর ঘরে থাকা ১৫ মণ পাট, ৫০ মণ পেঁয়াজ, ১০ মণ রসুন, ২০ মণ চাল, ১৫ মণ গম, নগদ ৫ লাখ টাকা, একটি টেলিভিশন ও একটি ফ্রিজ পুড়ে গেছে।
দ্বিতীয় ছেলে শরিফুল হকের ঘরে থাকা ২০ মণ চাল, ৫ মণ রসুন, ১০ মণ পাট, এক ভরি স্বর্ণ, নগদ ৮০ হাজার টাকা ও একটি টেলিভিশন পুড়ে যায়।
ছোট ছেলে সাজেদুল হকের ঘরে থাকা মহিষ বিক্রির সাড়ে ৪ লাখ টাকা, দুই ভরি স্বর্ণ, ২০ মণ চাল, ১০ মণ গম, ১০ মণ পাট, ৫০ মণ পেঁয়াজ, ১০ মণ রসুন, একটি টেলিভিশন, কয়েকটি মোবাইল ফোনসহ ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। ইমদাদুল হকের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, “আমি আগুন দেখতে পেয়েই চিৎকার শুরু করি। তখন প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আমাদের গোয়ালঘরে মহিষ ও গরু বাঁধা ছিল। আগুনের মধ্যে তাদের গলার দড়ি কেটে দেওয়ায় তারা প্রাণে বেঁচে গেছে।”বাঘা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী স্টেশন ইনচার্জ মিনহাজুল হক বলেন, “খবর পাবন্ধু, খবরটার জন্য মানবিক দিকটা সামনে রেখে এই হেডিংটা বেশ শক্তিশালী হবে—Writing এক রাতেই সর্বস্বান্ত তিন পরিবার, আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি ও সঞ্চয় বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দিঘা পশ্চিমপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের ঘরবাড়ি ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নূরুল হক নূরুর বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাতটি সেমিপাকা টিনশেড ঘরের কক্ষ, তিনটি গোয়ালঘর ও তিনটি রান্নাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—নূরুল হক নূরু এবং তাঁর তিন ছেলে ইমদাদুল হক, শরিফুল হক ও সাজেদুল হক। তাঁরা একই বাড়িতে বসবাস করেন এবং পৃথকভাবে ব্যবসা ও গবাদিপশু পালন করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, নূরুল হক নূরুর গোয়ালঘরে জ্বালানো কয়েল থেকে অসাবধানতাবশত আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে আগুন দেখতে পান বড় ছেলে ইমদাদুল হকের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন। তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বাঘা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, আগুনের তাপে একটি ফ্রিজের কম্প্রেসার ও ঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ইমদাদুল হক জানান, তাঁর ঘরে থাকা ১৫ মণ পাট, ৫০ মণ পেঁয়াজ, ১০ মণ রসুন, ২০ মণ চাল, ১৫ মণ গম, নগদ ৫ লাখ টাকা, একটি টেলিভিশন ও একটি ফ্রিজ পুড়ে গেছে।
দ্বিতীয় ছেলে শরিফুল হকের ঘরে থাকা ২০ মণ চাল, ৫ মণ রসুন, ১০ মণ পাট, এক ভরি স্বর্ণ, নগদ ৮০ হাজার টাকা ও একটি টেলিভিশন পুড়ে যায়।
ছোট ছেলে সাজেদুল হকের ঘরে থাকা মহিষ বিক্রির সাড়ে ৪ লাখ টাকা, দুই ভরি স্বর্ণ, ২০ মণ চাল, ১০ মণ গম, ১০ মণ পাট, ৫০ মণ পেঁয়াজ, ১০ মণ রসুন, একটি টেলিভিশন, কয়েকটি মোবাইল ফোনসহ ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।ইমদাদুল হকের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, “আমি আগুন দেখতে পেয়েই চিৎকার শুরু করি। তখন প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আমাদের গোয়ালঘরে মহিষ ও গরু বাঁধা ছিল। আগুনের মধ্যে তাদের গলার দড়ি কেটে দেওয়ায় তারা প্রাণে বেঁচে গেছে।”
বাঘা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী স্টেশন ইনচার্জ মিনহাজুল হক বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুনে ঘরবাড়ি ও মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
অগ্নিকাণ্ডের পর পরিবারগুলোর সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এক রাতেই চোখের সামনে পুড়ে গেছে দীর্ঘদিনের কষ্টে গড়ে তোলা ঘর-সংসার ও সঞ্চয়। পরনের কাপড় ছাড়া তাদের প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই।
খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন এবং বাঘা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাঘা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে রাতেই অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা করা হবে।
এদিকে শনিবার সকাল ৯টায় রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে নগদ ২০ হাজার টাকা, ৪০০ কেজি চাল, পাঁচটি শাড়ি, পাঁচটি লুঙ্গি, ২০ কেজি আলু, ৫ কেজি মসুর ডাল ও আট প্যাকেট শুকনা খাবার প্রদান করেন।
পরে তিনি মুঠোফোনে বাঘা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন।ওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুনে ঘরবাড়ি ও মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”
অগ্নিকাণ্ডের পর পরিবারগুলোর সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এক রাতেই চোখের সামনে পুড়ে গেছে দীর্ঘদিনের কষ্টে গড়ে তোলা ঘর-সংসার ও সঞ্চয়। পরনের কাপড় ছাড়া তাদের প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই।
খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন এবং বাঘা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাঘা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে রাতেই অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি জানতে পেরেছেন। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা করা হবে।
এদিকে শনিবার সকাল ৯টায় রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে নগদ ২০ হাজার টাকা, ৪০০ কেজি চাল, পাঁচটি শাড়ি, পাঁচটি লুঙ্গি, ২০ কেজি আলু, ৫ কেজি মসুর ডাল ও আট প্যাকেট শুকনা খাবার প্রদান করেন।
পরে তিনি মুঠোফোনে বাঘা উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com