1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ফেনীতে প্রতিবন্ধী বেলাল মেয়ে নিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা; থানায় মামলা বখাটে ইমন পালাতক - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
আগৈলঝাড়ায় মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি পার্বতীপুরে গৃহবধূ শেফালী হত্যার অভিযোগ,স্বামীসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে পুন: স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লায় মাদক সেবনের সময় যুবদল নেতা গ্রেফতার, ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা মামলা-কারাবাসের অন্ধকারে হারাননি পথ—মানুষের ভালোবাসায় ফিরে আসছেন ভি.পি. জহির” ​মির্জাগঞ্জে বার্ড-এর কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের গ্রাম অরিয়েন্টেশন ও সংগঠন সৃজন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির ও সাংবাদিক সম্রাটের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কাশিমপুরে অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য, নেতৃত্বে ওসি খালিদ শ্রীপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ ইসমাইল হোসেন এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী ১২ আগস্ট বুধবার ফেনীতে প্রতিবন্ধী বেলাল মেয়ে নিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা; থানায় মামলা বখাটে ইমন পালাতক

ফেনীতে প্রতিবন্ধী বেলাল মেয়ে নিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা; থানায় মামলা বখাটে ইমন পালাতক

reporter মহিউদ্দিন মহি খন্দকার
calendar প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ

এক অসচ্ছল ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবার অবুঝ সন্তানের ওপর নির্যাতন চালিয়ে তাকে অন্তঃসত্ত্বা করার মর্মান্তিক ও নৃশংস ঘটনা ঘটেছে ফেনী সদর ৯ নং লেমুয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে রামপুর চৌকিদার বাড়ির বেলাল হোসেন এর ভুক্তভোগী মেয়েটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল; ফারহানা আক্তার নিশু ‘র (১৭) অসহায়ত্ব ও অভাবের সুযোগ নিয়ে পাশের বাড়ির প্রভাবশালী পরিবারের এক বখাটে যুবক ইমন (২৭) প্রবাস থেকে আসার পর সুযোগ বুঝে এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে শিশুটি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিশুটির বাবা বেলাল হোসেন শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় অন্যের সহায়তায় ও দিনমজুরি করে কোনোমতে সংসার চালান। ঘরে চরম দারিদ্র্য ও বাবার শারীরিক অক্ষমতার সুযোগ নেয় প্রতিবেশী প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের বখাটে ছেলে ইমন লোভ লালসা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে নির্যাতন করে আসছিল সে। সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে এবং অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর জানা যায়, মেয়েটি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

ঘটনা জানাজানি হলে প্রতিবন্ধী বাবা তার নিষ্পাপ মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সামাজিক বিচারে সুবিচারের আকুতি জানান। তবে অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তের বাবা আবুল কালাম স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সম্প্রতি আয়োজিত সামাজিক এক সালিশ বৈঠকে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অসহায় প্রতিবন্ধী বাবাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু টাকা পয়সা দিয়ে মিটমাট করার জন্য চাপ দিতেছে, ভুক্তভোগী পরিবারকে সমাজচ্যুত করারও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী মেয়েটির পিতা বেলাল (প্রতিবন্ধী) বলেন; আমি শারীরিক প্রতিবন্ধী, দিন আনি দিন খাই। ওরাই আমার অভাবের সুযোগ নিয়ে আমার অবুঝ বাচ্চাটার জীবন শেষ করে দিল। আমি সমাজে বিচার চাইতে গিয়ে অপমানিত হয়ে ফিরে এসেছি। আমার মেয়েটা এখনও খেলাধুলার বয়সে আছে, সে বোঝেই না তার সাথে কি অন্যায় হয়েছে। আমি এর কঠিন বিচার চাই।”

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এক শিশু অধিকার কর্মী জানান, এটি কেবল বাল্যবিয়ে বা অনৈতিক সম্পর্কের বিষয় নয়, এটি একটি গুরুতর অপরাধ ও শিশু ধর্ষণ। সালিশ বৈঠকের নামে এ ধরনের অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী কোনো নাবালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক আইনত ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। প্রভাবশালী পক্ষ টাকা বা ক্ষমতার জোরে পার পাওয়ার চেষ্টা করলেও ডিএনএ (DNA) টেস্টের মাধ্যমে অপরাধীকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী কোনো নাবালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক আইনত ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। প্রভাবশালী পক্ষ টাকা বা ক্ষমতার জোরে পার পাওয়ার চেষ্টা করলেও ডিএনএ (DNA) টেস্টের মাধ্যমে অপরাধীকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী কোনো নাবালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক আইনত ধর্ষণ হিসেবে গণ্য। প্রভাবশালী পক্ষ টাকা বা ক্ষমতার জোরে পার পাওয়ার চেষ্টা করলেও ডিএনএ (DNA) টেস্টের মাধ্যমে অপরাধীকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব।

ভুক্তভোগী পরিবারটি এখন মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা অনতিব্লিমে উপজেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, যাতে ভুক্তভোগী মেয়েটি সঠিক বিচার ও চিকিৎসা সহায়তা পায়।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com