1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
পার্বতীপুরে গৃহবধূ শেফালী হত্যার অভিযোগ,স্বামীসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
চাঁদাবাজির অভিযোগে জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও তার সহযোগী কারাগারে বাগমারায় এসএসসির ফল আশানুরূপ না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর মৃত্যু সদরপুর কৃষি অফিসে ৪১ পদের বিপরীতে কর্মরত ১৭ জন চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে বিএটিবি শ্রমিকদের সংবাদ সম্মেলন, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরে পরিবেশ দূষণ: ৩ হাউসবোটকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নলডাঙ্গার তিন প্রবাসী নিহত এলাকার জুড়ে শোকের ছায়া রাজস্থলীতে এসএসসি পরীক্ষায় চরম বিপর্যয়,পাশের হার মাত্র ৩০.৩৯%,জিপিএ ৫ শুন্য নাগরপুরে ছাত্রদল নেতার উপর হামলার ঘটনায় কৃষক সমিতির নেতা গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ০২ জন আটক আগৈলঝাড়ায় মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি

পার্বতীপুরে গৃহবধূ শেফালী হত্যার অভিযোগ,স্বামীসহ স্বজনদের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

reporter   মোঃ ফয়জার রহমান,দিনাজপুর
calendar প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মাদক ও জুয়া নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে শেফালী বেগম (৩২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ফেরদৌস ওরফে ফিদু কসাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামীসহ কয়েকজন স্বজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করেছেন নিহতের মা মাজেদা বেগম।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত ৬ মার্চ সন্ধ্যায় পানি আনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ফেরদৌস কাঠের পিঁড়ি দিয়ে শেফালীর বাম পাঁজর ও কানে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শেফালী ও ফেরদৌসের ১৬ বছরের সংসার। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ফেরদৌস মাদক ও জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ায় দীর্ঘদিন ধরে সংসারে অশান্তি চলছিল। স্বামীর এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তাদের মধ্যে কলহ হতো।

ঘটনাটি পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আমবাড়ী কুতুবপুর গ্রামের।এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন সকাল থেকে মাদকের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন ফেরদৌস। বিকেলে বাড়িতে ফিরে শেফালীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। পরে সন্ধ্যায় ইফতারের সময় পানি আনা নিয়ে আবারও বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে ফেরদৌস কাঠের পিঁড়ি দিয়ে শেফালীর বাম পাঁজর ও কানে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান।

পরিবারের অভিযোগ, এরপর শেফালীকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে কয়েকটি গামছা একত্র করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পারলে ফেরদৌস নিজেই তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শেফালীকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মা মাজেদা বেগমের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মেয়ের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। পরে পার্বতীপুর থানায় গেলেও পরিচয়পত্র দেখাতে না পারায় মেয়ের মরদেহ দেখতে পারেননি তিনি। এর মধ্যেই দ্রুত শেফালীর মরদেহ দাফন করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় মাজেদা বেগম বাদী হয়ে শেফালীর স্বামী ফেরদৌস ওরফে ফিদু কসাইসহ কয়েকজন স্বজনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।তবে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার প্রধান আসামি ফেরদৌস ওরফে ফিদু কসাই। তার দাবি, তাকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।নিহতের পরিবারের সদস্যরা শেফালীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে আমবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই কামাল হোসেন বলেন, শেফালী বেগমের মৃত্যুতে কোনো ইউডি মামলা হয়েছিল কি না, তা জানতে আদালত থেকে তাদের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।নিহতের মা মাজেদা বেগম বলেন, মেয়ের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তিনি মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com