1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
প্রতারণা মামলায় হয়রানির অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
প্রশিক্ষণ সনদ লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-কে প্রদান করেন দৈনিক ঘোষণ’র সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ সাহিদুর রহমান টেপা অবৈধভাবে সাদা-পাথর উত্তোলন মওজুদ ও পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান তারাটি ইউনিয়নে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিকে নির্ধারিত সময়ে সিএইচসিপি না থাকার অভিযোগ প্রতারণা মামলায় হয়রানির অভিযোগ পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে রাজৈরে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মুক্তাগাছায় ইয়াবাসহ বাসের হেলপার আটক সেবায় মানুষের আস্থা অর্জন করছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিতাংশু কর্মকার ব্যানার ছাড়া রুহিয়া উপজেলার প্রথম আইনশৃঙ্খলা সভা, সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা চ্যানেল আই এর আমরাই বাংলাদেশ টকশোতে মজিবুর রহমান ভূইয়া ও খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী

প্রতারণা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

– জমি ক্রয়ের পরও মামলায় জড়ানোর দাবি ভুক্তভোগীর

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ

ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করে জমি ক্রয় ও রেজিস্ট্রি করার পরও প্রতারণার মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা কামাল গাজী। তিনি দাবি করেছেন, পূর্ববিরোধের জেরে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাকে ও জমির অপর ক্রেতাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী কামাল গাজীর দাবি, একই এলাকার বাসিন্দা নান্নু হাওলাদার জমি বিক্রির প্রস্তাব দিলে তিনি, ইউনুচ খাঁ, খোকন মোল্লা, নিজাম খান ও ঝুমুর বেগমসহ মোট পাঁচজন মিলে নান্নু হাওলাদার এবং তার দুই বোন সালেহা বেগম ও ফিরোজা বেগমের কাছ থেকে মোট ২৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এ জন্য জমির তৎকালীন বাজারমূল্য অনুযায়ী মোট ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কামাল গাজী জানান, গত ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পটুয়াখালী সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে নান্নু হাওলাদার ও তার দুই বোন স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেন। রেজিস্ট্রির পর প্রায় দেড় মাস পর জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে তার বক্তব্য না নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফেসবুক পেজে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরবর্তীতে নান্নু হাওলাদার বাদী হয়ে জমির পাঁচ ক্রেতাকে আসামি করে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর ৩৮৯/২০২৬।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখাকে দেওয়া হলে সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. সাইদুর রহমান হাসান মামলার সূচিপত্র ও জমির চৌহদ্দিসহ প্রতিবেদন দাখিল করেন বলে জানান কামাল গাজী। তবে ওই প্রতিবেদনে মামলার ২ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কামাল গাজী তিনি আরও দাবি করেন,পরবর্তীতে তিনি মামলার ১ ও ২ নম্বর সাক্ষীর সঙ্গে এবং জমির দাতা ফিরোজা বেগমের স্বামীর বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন। তার দাবি, ওই দুই ব্যক্তি জমির বিনিময়ে টাকা গ্রহণ করে দলিলে স্বাক্ষর করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ সংক্রান্ত কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডও তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের কাছে দিয়েছেন বলে জানান।

ভুক্তভোগীর দেওয়া অডিও রেকর্ডে একজনকে ৫০ হাজার টাকা এবং অপর একজনকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ার কথা শোনা যায় বলে দাবি করেন কামাল গাজী। তার অভিযোগ, মামলার বাদী নান্নু হাওলাদার মামলায় মোট ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন। ফলে মামলার বক্তব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কথোপকথনের মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।

কামাল গাজী বলেন, “জমির তিন দাতার মধ্যে একজন নিজেই মামলার বাদী। অপর দুই দাতার মধ্যে একজনের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়েছে কি না, তা আমার জানা নেই। অন্য একজনের সঙ্গে আমার কথোপকথনের অডিও রেকর্ড রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে সাক্ষীদের বক্তব্য ও বাস্তব ঘটনার মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলেই আমার সন্দেহ তৈরি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি কী তথ্য বা বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমি মনে করি, পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাকে ও অন্য ক্রেতাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি থেকে রক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

তবে মামলার বাদী নান্নু হাওলাদার, সংশ্লিষ্ট সাক্ষী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য এ প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com