গত ২৪ জুলাই (শুক্রবার) ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ৫নং গাজীরভিটা ইউনিয়নের শিমুলগুছি গ্রামের সীমান্তে গড়ার সড়কের পাশে স্থানীয় সমাজসেবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালক আশিক মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। মূল ঘটনা আড়াল করতে এবং চলমান মামলা থেকে বাঁচার জন্য আসামিরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বলে ভুক্তভোগী আশিক মাহমুদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার প্রকৃত বিবরণ দিয়ে আশিক মাহমুদ জানান, গত ২৯ জুন (মঙ্গলবার) রাতে পূর্বশত্রুতার জেরে তার বাসার সামনে ৮ থেকে ৯ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল তাকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। তাকে বাঁচাতে তার পিতা বিল্লাল হোসেন, মামা ও মামাতো ভাইয়েরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপরও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় তার পিতা বিল্লাল হোসেন গুরুতর জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি কিছুটা সুস্থ হলে এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আবুল হোসেনসহ জড়িতদের নাম উল্লেখ করে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
আশিক মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আসামিরা ক্ষুব্ধ হয় এবং নিজেদের অপরাধ ঢাকতে পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে। তার পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তৎকালীন সরকারি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের কিছু ছবি ব্যবহার করে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এছাড়া মানববন্ধনে তাকে “শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘ” নামক একটি ওয়ার্ড সংগঠনের সভাপতি হিসেবে যে দাবি করা হয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ ভূঁইফোঁড় ও মিথ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হালুয়াঘাট উপজেলাতেই এ জাতীয় কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব নেই, ফলে ওয়ার্ড পর্যায়ে সভাপতি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।”
ভূমি সংক্রান্ত অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে জানান, ওই জমির বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত ও প্রশাসনিক তদন্তের মোট ৫টি রায় এবং ২টি অভিযোগের রায় ইতোমধ্যে তার অনুকূলে এসেছে। বিরোধীদের সেখানে আইনগত বা বস্তুগত কোনো অস্তিত্বই নেই। সম্পূর্ণ গায়ের জোরে ও ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বারবার তারা ভূমির মালিকানা দাবি করে তার সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
সামাজিক মর্যাদা রক্ষা ও সত্য ঘটনা উন্মোচনের লক্ষ্যে তিনি ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ভাইদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন