1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
আউশ ধান হারিয়ে যাওয়ার পথে: হালুয়াঘাটে বিলুপ্তির মুখে সনাতন কৃষি ঐতিহ্য - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
হযরত খাজা আবু আলী সিন্ধী শাহ (রহ.)-এর বার্ষিক ওরশ মোবারক ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মানবকণ্ঠের ব্যুরো অফিস উদ্বোধন বিশ্ববিদ্যালয় এর জীবন সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন মানবতার অনন্য দৃস্টান্ত, অসুস্থ শরীরে ক্যানুলা নিয়ে রাত জেগে রোগীর সেবায় ভোলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের দুই চিকিৎসক। ভাঙ্গায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার অভিযোগ দেবহাটায় সুশীলন ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের আয়োজনে শিশুশ্রম প্রোগ্রেস শেয়ারিং মিটিং বিজিবি’র উদ্যোগে সীমান্তে জনসাধারণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে “ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ” তানোরে ইউএনও নাঈমা খানের সাথে ‘দৈনিক আমাদের জন্মভূমি’ পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাঙামাটিতে সাইবার সেলের প্রচেষ্টায় উদ্ধার ৬১ হারানো মোবাইল

আউশ ধান হারিয়ে যাওয়ার পথে: হালুয়াঘাটে বিলুপ্তির মুখে সনাতন কৃষি ঐতিহ্য

reporter ​ফারুক হোসেন, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
calendar প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

একসময় ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার গ্রামীণ জনপদে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ এলেই বাতাসে ভেসে আসত আউশ ধানের মৌ মৌ গন্ধ। বাড়ির উঠান কিংবা গ্রামীণ মেঠোপথের দুই পাশে সারিবদ্ধ ধানের গোছা শুকানোর নৈসর্গিক দৃশ্য ছিল নিত্যদিনের। তবে সময়ের ব্যবধানে, আধুনিক কৃষির আধুনিকায়ন ও অধিক ফলনশীল জাতের দাপটে হালুয়াঘাট থেকে প্রায় পুরোপুরি হারিয়ে গেছে এই ঐতিহ্যবাহী আউশ ধান।

​স্থানীয় প্রবীণ কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এক যুগ আগেও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু ও মাঝারি জমিতে ব্যাপকভাবে আউশ চাষ হতো। কোনো কৃত্রিম সার বা সেচ ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রকৃতি ও বৃষ্টি ওপর নির্ভর করে তৈরি হতো এই ধান। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার পর কিংবা বৈশাখের শুরুতে জমি প্রস্তুত করে আউশ রোপণ করা হতো। তবে কালের বিবর্তনে এখন আর গ্রামীণ মেঠোপথে বা কৃষকের উঠানে আউশ ধান শুকানোর সেই পরিচিত দৃশ্য চোখে পড়ে না।

​আউশ বিলুপ্তির প্রধান কারণ হিসেবে আধুনিক উফশী (উচ্চফলনশীল) জাত ও বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। আউশ ধানের ফলন বোরো বা আমনের তুলনায় কম হওয়ায় কৃষকরা অধিক লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া আবহাওয়া পরিবর্তন, সেচনির্ভর আধুনিক কৃষিব্যবস্থা এবং সময়মতো বৃষ্টির অভাবের কারণেও কৃষকরা আউশ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

​উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য ও স্থানীয় কৃষকদের মতে, আউশ ধান রক্ষা করা গেলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো, কারণ আউশে কৃত্রিম সেচের প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। হারিয়ে যাওয়া এই গ্রামীণ ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি বজায় রাখতে স্বল্পমেয়াদি ও উচ্চফলনশীল আউশের জাত উদ্ভাবন ও সরকারি উদ্বুদ্ধকরণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com