1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
মির্জাপুরে মাদ্রাসা-ছাত্র বলাৎকারের শিকার ,আলেম যখন জালেমের ভূমিকায় - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
টেকনাফে নৈশ প্রহরী হত্যা: র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় আসামি রিদুয়ান গ্রেপ্তার বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি যুব সংগঠনের খবরে আলীকদমে ইয়াবাসহ ২ জন আটক, ১ বছর করে কারাদণ্ড হালুয়াঘাট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও এডিট করে করে অপপ্রচার দেবরের সঙ্গে বিয়ে, কাজীর ‘বিলকিবাজিতে’ বিপন্ন কন্যা সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা: ১৬৪ ধারায় জহুরুল, আপন ও জিহাদের জবানবন্দি ফুলপুরে রিফাত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বেহাল সড়ক মেরামত, সন্তুষ্ট এলাকাবাসী কোনাবাড়ি জরিপ অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ শিবালয়ে কেমিক্যাল দিয়ে জিলাপি তৈরির অভিযোগ, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তা

মির্জাপুরে মাদ্রাসা-ছাত্র বলাৎকারের শিকার ,আলেম যখন জালেমের ভূমিকায়

reporter মো:মিজানুর রহমান
calendar প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্র টানা বলাৎকারের শিকার হয়েছে।
১১ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আল-আমিনকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। এসময় মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকেও আটক করা হয়।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, পাঁচ বছর পূর্বে মির্জাপুর উপজেলার পারদিঘী গ্রামের হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান উপজেলা সদরের বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মার্কেটের দোতলা ও তিনতলা ভাড়া নেন। সেখানে তিনি মারকাজুল উম্মাহ নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিন বছর পূর্বে উপজেলার শশধর পট্টি গ্রামের আল আমিন নামে এক শিক্ষককে ওই মাদ্রাসায় নিয়োগ দেয়া হয়। আটক হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ হতে অভিযোগে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভিকটিম ছাত্রকে তার মা নাজেরা বিভাগে ভর্তি করান। গত তিন মাস ধরে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক নিয়মিত বলাৎকার করে আসছিলেন। একপর্যায়ে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে।
অসুস্থতার খবর পেয়ে মা তাকে মির্জাপুর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করান। কিন্তু ওই ছাত্র ভয়ে ও লজ্জায় বলাৎকারের কথাটি গোপন রাখে। সুস্থ হলে মা তাকে আবার মাদ্রাসায় রেখে যান। এবার ১১ দিন ওই মাদ্রাসায় থাকে ভুক্তভোগী শিশুটি। এর মধ্যে সে আটবার বলাৎকারের শিকার হয়। এবার সে প্রচন্ডভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে ও মাকে ফোন করে বলে, মা এখানে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে আমাকে বাড়ি নিয়ে যাও।
বাড়িতে যাওয়ার পরদিন নানা আজিজুর রহমান টয়লেটে রক্ত দেখতে পান।
১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার বেসরকারি একটি ক্লিনিকের রিপোর্ট ও ভুক্তভোগী ছাত্রের স্বীকারোক্তিতে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী পরিবার বিচারের দাবিতে মাদ্রাসায় আসেন। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মনিরুজ্জামানের উপস্থিতিতে তাদেরকে অপমানজনক কথাবার্তা বলতে থাকেন। এ সময় স্থানীয় ছাত্র ও জনতা বিষয়টি টের পেয়ে যান।উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসায় ঢুকে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করলে পুলিশে খবর দেয়া হয়।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তার টিম নিয়ে এসে অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
ভিকটিমের মা বলেন, ওই শিক্ষক আমার ছেলের অনেক বড় ক্ষতি করেছে, আমার সামনে ওর হাত-পা ভেঙে দেওয়া হোক। আমি এর সঠিক বিচার দাবি করছি।
অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন বলেন, আমি এমন কিছু করিনি, ছাত্র মিথ্যা কথা বলছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। একটি মাদ্রাসায় এমন ঘটনা অন্য দশটি মাদ্রাসাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। এর যথোপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com