সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার কামারপাড়ার পূর্বপাড়া ওয়াপদা বাঁধ সংলগ্ন মরহুম মাহমুদুল হাসান দারুল উলুম রাহমাতিয়া নুরানী হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসার সন্মুখে মুল রাস্তার উপরে সন্ধার দিকে বাইসাইকেল আরোহী কে চলমান অবস্থায় অতর্কিত ভাবে দুর্বৃত্তরা হামলা করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মাঝে মাঝেই সন্ধার পর এরকম হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫ বার ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২৭শে জুন রোজ রবিবার সন্ধার দিকে অমৃত কুমার রাজ নামের এক বাইসাইকেল আরোহী কে খুঁর দিয়ে আঘাত করে মারাত্বকভাবে মুখে পিঁঠে ও মাথায় যখম করে। পরে তাকে বেলকুচি সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। ১৮ দিন আগে ঘটে যাওয়া একই ঘটনার ৪র্থ নাম্বার ঘটনার ভিকটিম আলম মোল্লা ৪১ নামের একজন হামলার শিকার হন। তার বাড়ি বেলকুচির আজুগড়া, তিনি মৃত আয়ুব মোল্লার পুত্র। তিনি হামলার শিকার হয়ে বেলকুচি উপজেলার তামাই গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলামিন খন্দকার কে দায়ী করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আলম মোল্লা বলেন, কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা আলামিন খন্দকার এর পার্টসের দোকানে আমি দীর্ঘ দুই বছর ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করি। পরে চাকরি বাদ দিয়ে আলাদা করে মহাম্মাদ আলী নামের একজনের সাথে সেয়ারে পার্টসের দোকান করি। যার কারনে সে আমাকে হামলা করেছে বোলে দাবী করেন আলম মোল্লা। এদিকে বিবাদী আলামিন খন্দকার বলেন, আলম মোল্লার ঘটনার সাথে আমি কোনভাবেই জরিত না, এটা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে আমাকে হেয়োপন্ন ও আর্থিক ক্ষতি করার জন্য আমাকে মিথ্যা ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। ঘটনার দিন আমি তামাই গ্রামে অবস্থিত আমার নিজ ব্যবস্য প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম, সিসি ক্যামেরায় ভিডিও প্রমাণ রয়েছে। তিনি আরও বলেন আলম মোল্লার সাথে ঘটে যাওয়া একই ঘটনা পূর্বেও তিনবার ঘটেছে এবং পরেও ঘটেছে, ঘটনার সাথে জরিত বেলকুচি পুলিশ ১ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আমি এমন হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আসল দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী করছি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানা কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, হামলার ঘটনাটি আমরা জানতে পারি এবং হামলার শিকার অমৃত কুমার রাজের ঘটনায় জরিত ১ জনকে গ্রেফতার করেছি। বাকি জরিতদের গ্রেফতার ও ঘটনার রহস্য বের করার জন্য জোরদার চেষ্টা চালাচ্ছি।