1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
জালিয়াতির মাধ্যমে পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ, - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
২০০১ সালের জুনে রাজনৈতিক অপহরণের শিকার: মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসার স্মৃতিচারণ, এক মাস সাত দিনের কারাবাস এবং দীর্ঘ মানবাধিকার সংগ্রামের ইতিহাস শতবর্ষের পথচলায় কালিদাস হাটের ঐতিহ্যবাহী বটবৃক্ষ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুত করার নির্দেশনা জেলা প্রশাসকের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল মাষ্টারের দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ভোলায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের পদযাত্রা টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম ও সততার সাথে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশুলিয়ায় ১ হাজার লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রীসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার এসো আলোর সন্ধানে যুব সংগঠনের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত আশুলিয়ায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী র‍্যালি, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

জালিয়াতির মাধ্যমে পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ,

reporter নাহিদা আক্তার পপি
calendar প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের সমাই বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে পেট্রোল পাম্পের লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ইউনিক ট্রেডার্স প্যাক পয়েন্টের স্বত্বাধিকারী ফখরুল ইসলাম দাবি করেছেন, আদালতে করা একটি এফিডেভিটের মাধ্যমে লাইসেন্সটি নিজের নামে রয়েছে বলে উল্লেখ করে আব্দুল হক তার কাছে ৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্যাক পয়েন্টটি বিক্রি করেন। তবে পরে লাইসেন্স নবায়নের সময় তিনি জানতে পারেন, লাইসেন্সটি আব্দুল হকের নামে নয়; বরং ‘মনোহর আলী ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মনোহর আলীর নামে নিবন্ধিত।

ফখরুল ইসলামের অভিযোগ, প্রকৃত মালিকানা গোপন রেখে তাকে প্রতারণার মাধ্যমে লাইসেন্স বিক্রি করা হয়েছে। তিনি বলেন, যে লাইসেন্স বিক্রি করা হয়েছে সেটি আব্দুল হকের নামে নয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই।

তিনি আরও জানান, গত ৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় তার প্রতিষ্ঠানে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করে চলে যান। সে সময় দোকানে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল মজুদ ছিল। তার দাবি, এত অল্প সময়ে ওই পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।

ফখরুল ইসলামের ভাষ্য, ওই রাতেই তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দোকানের তালা ভেঙে জ্বালানি জব্দ করেন এবং দোকানের চাবি মো. আব্দুল হকের জিম্মায় দেন। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে ৩৬ দিন কারাভোগ করতে হয়। গত ৩ জুন জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর একাধিকবার দোকানের চাবি ফেরত চাইলেও তা পাননি। পরে আদালতের নির্দেশে গত ১৩ জুলাই দোকানের চাবি বুঝে পান।
চাবি পাওয়ার পর দোকান খুলে তিনি দেখতে পান, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামী মবিল, নগদ ৬২ হাজার টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ক্রয়-বিক্রয়ের মেমো এবং পেট্রোল পাম্প পরিচালনার মূল লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। তার দাবি, প্রায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের মালামালের মধ্যে মাত্র আড়াই লাখ টাকার মালামাল পাওয়া গেছে। চাবি আব্দুল হকের জিম্মায় থাকার সময় এসব মালামাল ও কাগজপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মো. আব্দুল হক দোকান থেকে মালামাল ও কাগজপত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে অস্বীকার করেন। তবে তিনি ফখরুল ইসলামের কাছে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকায় লাইসেন্স বিক্রি করার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং বাকি অভিযোগগুলো মিথ্যা বলে দাবি করেন।

এদিকে, লাইসেন্স বিক্রির সময় উপস্থিত সাক্ষী ও সমাই বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির বলেন, তার সামনেই ফখরুল ইসলাম ও আব্দুল হকের মধ্যে টাকার লেনদেন হয়েছে। ওই সময় দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে আব্দুল মালিকও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে সিনিয়র অফিসার মার্কেটিং পদ্মা কোম্পানি সিলেট, মোঃ আবু শাকিল বলেন, লাইসেন্স কেউ বিক্রি করতে পারবেনা লাইসেন্স বিক্রি করার অনুমোদন নেই, এছাড়া এজেন্সি বা প্যাক পয়েন্টের সরাসরি লাইসেন্স বিক্রি করার নিয়ম নেই।

ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, লাইসেন্সের প্রকৃত মালিকানা যাচাই এবং অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ফখরুল ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com