1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
কাশিমপুরে জরিপ অফিস ঘিরে দুই সাংবাদিক হামলায় পুলিশের দ্বৈত তৎপরতা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মৃত্যুফাঁদে হোগলাকান্দি বিদ্যালয় সড়ক: সাপের আতঙ্কে ভূতুড়ে পরিবেশ, শঙ্কায় এলাকাবাসী খুলনার পাইকগাছায় সপ্তাহের ৬ দিনই ওটি বন্ধ: চরম ঝুঁকিতে উপকূলের গর্ভবতী মায়েরা! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ভেড়ামারা উপজেলা কমিটির অনুমোদন নড়াইলের কালিয়ায় শিশুর নিখোঁজের পর মরদেহ বটিয়াঘাটায় উদ্ধার কাশিমপুরে জরিপ অফিস ঘিরে দুই সাংবাদিক হামলায় পুলিশের দ্বৈত তৎপরতা ভোলায় পাচারের সময় বিপন্ন প্রজাতির ২৫০ কচ্ছপ উদ্ধার রাজৈরে সরকারি খাল দখল করে বালু ভরাটের অভিযোগ, স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও সরকারি বিদ্যালয় নেই কাপ্তাইয়ের দুর্গম শুভধন পাড়ায় চকরিয়া পাঁচ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপন ও বৃক্ষমেলা ও উদ্বোধন দিনাজপুরকে হারিয়ে কক্সবাজারের জয়, শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক সাংবাদিক কন্যা সোহানা কবির

কাশিমপুরে জরিপ অফিস ঘিরে দুই সাংবাদিক হামলায় পুলিশের দ্বৈত তৎপরতা

– জামাল আহমেদকে মারধর ও সাংবাদিকতা সরঞ্জাম লুটের ঘটনায় এক মাসেও উদ্ধার হয়নি মালামাল, গ্রেপ্তার হয়নি আসামি; আমিনুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত গ্রেপ্তার—পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

reporter সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, গাজীপুর
calendar প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ

গাজীপুরের কাশিমপুরে জরিপ ও ভূমি-সংক্রান্ত কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের ওপর পরপর দুই হামলার ঘটনায় পুলিশের তদন্তের গতি ও তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি ঘটনায় প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও আসামি গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া সাংবাদিকতা সরঞ্জাম উদ্ধারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। অথচ সাম্প্রতিক আরেক হামলার ঘটনায় অল্প সময়ের মধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। দুই ঘটনায় পুলিশের এই দৃশ্যমান পার্থক্য নিয়েই এখন স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গত ২৩ জুলাই কাশিমপুর থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পানিশাইল পলাশ হাউজিং এলাকায় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার হন সাংবাদিক জামাল আহমেদ প্রধানিয়া। তিনি চ্যানেল এস ও দৈনিক জনবাণীর কাশিমপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তাঁর সঙ্গে থাকা সাংবাদিক ইমরুল ইসলামও ওই ঘটনায় হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওইদিন একদল ব্যক্তি হকিস্টিক, লোহার রড, গ্যাস পাইপ, কাঠের বাটাম ও বাঁশের লাঠি দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এতে জামাল আহমেদ মাথা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। পরে আহত কে চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
শুধু মারধরই নয়, হামলার সময় সাংবাদিক জামাল আহমেদ ও ইমরুল ইসলামের কাছ থেকে Tecno Camon 50 Ultra ও Vivo Y21d মোবাইল ফোন, সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও প্রেস আইডি, Panasonic AG-CX350 4K ক্যামেরা, কর্ডলেস মাইক্রোফোন, নগদ অর্থসহ সংবাদ সংগ্রহের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব সরঞ্জামের বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর কাশিমপুর থানায় দুইটি পৃথক অভিযোগ এবং পরে একটি মামলা দায়ের করা হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত লুট হওয়া মালামালের কোনোটি উদ্ধার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পর প্রকাশিত প্রতিবেদনেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে।

এর মধ্যেই ২৩ আগস্ট কাশিমপুর জরিপ অফিসের সামনে কাশিমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলায় তিনি আহত হন এবং এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়।

এই ঘটনার পর পুলিশের দ্রুত তৎপরতা চোখে পড়ে। আব্দুল কুদ্দুস নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানা গেছে। ফলে একই এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত দুই হামলার তদন্তে পুলিশের তৎপরতার পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।

সাংবাদিকদের একাংশের প্রশ্ন—জামাল আহমেদের ওপর হামলা ও সাংবাদিকতা সরঞ্জাম লুটের ঘটনায় যদি অপরাধের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ থাকে, তাহলে এতদিনেও কেন কোনো আসামি গ্রেপ্তার হলো না? কেন উদ্ধার হলো না লুট হওয়া ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম?

অন্যদিকে আমিনুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত গ্রেপ্তারকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সাংবাদিকরা। তাদের বক্তব্য, অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে একই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে আগের ঘটনায়ও একই ধরনের তৎপরতা থাকা প্রয়োজন ছিল।

এদিকে স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, জামাল আহমেদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের কারও কারও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকতে পারে। এ কারণে তদন্তে ধীরগতি হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নও উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হোক কিংবা সাধারণ—আইনের চোখে সবার অবস্থান কি সমান নয়?

তাদের দাবি, জামাল আহমেদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, লুট হওয়া সাংবাদিকতা সরঞ্জাম উদ্ধার এবং ঘটনার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনা হোক।

সাংবাদিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নে দুটি ঘটনাকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পুলিশের কাছে দাবি উঠেছে—কোনো পক্ষের পরিচয়, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কিংবা প্রভাব বিবেচনা না করে অপরাধের ভিত্তিতে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা হোক।
কারণ, এক ঘটনায় দ্রুত পুলিশি তৎপরতা যেমন আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ায়, তেমনি অন্য ঘটনায় দীর্ঘসূত্রতা ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার না হওয়া সেই আস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com